নিহত ফারজানার স্বামী সোহেল রানা সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার সিএইচআর সপের উপ-সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত। তিনি জমজ দুই মেয়েসহ স্বামীর সঙ্গে শহরের নয়াটলা ডিআইবি রোড এলাকায় এক বাসায় ভাড়ায় থাকতেন। ফারজানা বগুড়ার দুপচাচিয়া উপজেলার গুনাহার পুকুরপাড় এলাকার মৃত শাহীন সরকারের মেয়ে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত প্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম।
হাসপাতালে নিহতের স্বামী সোহেল রানা জানান, তিনি কর্মস্থল থেকে দুপুরে বাড়িতে ফিরে দেখতে পান তার স্ত্রী শয়নকক্ষে গলায় ওড়ানা পেঁচিয়ে সেলিং ফ্যানের সাথে ছটফট করছিলেন। সঙ্গে সঙ্গে তাকে সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা নাজমুল হক জানান, হাসপাতালে আনার আগে ওই নারীর মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর ঘটনাটি রহস্যজনক হওয়ায় বিষয়টি থানায় অবহিত করা হয়।
এদিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে সোহেল রানার কয়েকজন সহকর্মী জানান, সোহেল রানার সাথে এক নারী সহকর্মীর পরকীয় রয়েছে। এ খবরটি তাঁর স্ত্রী জানার পর থেকে পারিবারিক অশান্তি চলছিল।
ওসি সাইফুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে দ্রুত হাসপাতালে পুলিশ পাঠিয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। লাশের সুরতহালে লাশের গলায় কালো দাগ দেখা গেছে। তবে শরীরের অন্য কোথায় আঘাতের চিহ্ন নেই। ময়না তদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরই জানা যাবে এটি হত্যা না আত্মহত্যা। তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে তার স্বামীকে থানায় নিয়ে এসে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।