সিসি নিউজ: কয়েকটি কেন্দ্রে অনিয়মের অভিযোগ ও অপ্রীতিকর ঘটনার মধ্য দিয়ে চতুর্থ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় পর্বে ১১৫টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৪টা পর্যন্ত টানা চলে এ ভোটগ্রহণ।
ভোটাররা তাঁদের পছন্দের চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও নারী ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীকে ভোট দিতে জড়ো হয়েছিলেন কেন্দ্রগুলোতে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটার উপস্থিতি বেড়েছে। তবে কয়েকটি কেন্দ্রে অনিয়মের অভিযোগ ও অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। কয়েকটি কেন্দ্র ব্যালট পেপার ছিনতাইয়ের ঘটনায় ভোট গ্রহণ বন্ধ করে দেন কর্মকর্তারা। কোনো কোনো প্রার্থী নির্বাচন বর্জনেরও ঘোষণা দিয়েছেন।
এদিকে নির্বাচনী এলাকাগুলোতে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে মঙ্গলবার থেকে মাঠে ছিল সেনাবাহিনী। সঙ্গে ছিল পর্যাপ্তসংখ্যক র্যাব, বিজিবি, পুলিশ ও আনসার সদস্য।
২১ কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত: দ্বিতীয় দফার উপজেলা নির্বাচনে ২১ কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কেন্দ্রগুলো হলো, বরিশাল সদরের ১১টি, চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে ৮টি, ফেনীর একটি এবং নোয়াখালী সদর।
বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে ভোটের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে এক বিফ্রিংয়ে ইসির ভারপ্রাপ্ত সচিব সিরাজুল ইসলাম এ কথা জানান।
ভোটের সার্বিক পরিস্থিতি সর্ম্পকে তিনি বলেন, ভোট উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ হয়েছে। আট হাজার ৩২টি কেন্দ্রের মধ্যে মাত্র ২১টি কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ বন্ধ হয়েছে। এতে বোঝা যায় ভোট শান্তিপূর্ণ হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন দ্বিতীয় দফায় ১১৭টি উপজেলার তফসিল ঘোষণা করলেও ভোট হচ্ছে ১১৫টি উপজেলায়। কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার নির্বাচন ১ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে। অন্যদিকে হাইকোর্টের আদেশে হাইমচর উপজেলার নির্বাচন বন্ধ রাখা হয়েছে।