• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২১ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

সৈয়দপুরে রেলগেট বিকল, যান থামাতে দড়ি

সিসি নিউজ।। রেলক্রসিংয়ের রেলগেট (বেরিয়ার) বিকল। তাই দড়ি বেঁধে যানবাহন থামানো হচ্ছে। গাড়ির অনেক চালক এবং পথচারী দড়িকে তেমন পাত্তা না দিয়ে রেলক্রসিং পার হয়ে যাচ্ছেন। এমন চিত্র নীলফামারীর সৈয়দপুর শহরের ২ নম্বর রেলক্রসিং এলাকায়। আর এভাবে দড়ি বেঁধে প্রায় ৫ দিন ধরে যানবাহন থামানো হলেও রেলগেটটি মেরামতে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। ফলে যেকোনো সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, রাত সাড়ে ৯ টার দিকে দ্রুত ছুটে আসছিল রাজশাহী-সৈয়দপুর পথের আন্তনগর ট্রেন বরেন্দ্র এক্সপ্রেস। এ সময় গেট রক্ষককে দৌড়ে এসে রেলগেটে একটি দড়ি বেঁধে দিতে দেখা গেল। ওই রেলক্রসিংয়ের গেটকিপার একদিকে ট্রেন পার করছিলেন অন্যদিকেল কেউ যাতে রেলপথে ঢুকে না পড়ে সেদিকটা দেখছিলেন। কাজটি করতে হিমশিম খাচ্ছিলেন তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুল ২ নম্বর রেলগেট এলাকার  এক ফল ব্যবসায়ী  জানান, গত শনিবার থেকে রেলগেটটি অকেজো। গেটরক্ষক প্রতিদিন ট্রেন যাতায়াতের সময় গেটে দড়ি বেঁধে কোনোরকমে যানবাহন নিয়ন্ত্রণ করেন। কিন্তু দড়ি এতটাই সরু যে তা দূর থেকে দেখা যায় না। ফলে অনেক যানবাহন দড়ি অতিক্রম করে রেলপথে ঢুকে পড়ছে। মোটরসাইকেল চালক এবং পথচারীরা দড়িকে তোয়াক্কা না করে রেলপথ অতিক্রম করছেন। এর ফলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে।

সৈয়দপুর রেলওয়ের স্টেশনমাস্টার ওবাইদুল ইসলাম রতন বলেন, রেলগেটটি বিকল হয়ে যাওয়ার ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এ বিষয়ে আমাকে অবহিত করেনি। খোজ নিয়ে গেটটি দ্রুত মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ