• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৬ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

খুলনায় পুলিশ সদস্য হত্যার ঘটনায় মামলা, আসামি ১২০০

সিসি নিউজ ডেস্ক।। খুলনায় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ চলাকালে পুলিশ সদস্য সুমন কুমার ঘরামীকে (৩৩) পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় মামলা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার রাতে লবণচরা থানার উপপরিদর্শক মোস্তফা সাকলাইন বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় প্রায় ১ হাজার ২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

লবণচরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মমতাজুল হক আজ শনিবার সকালে সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে ওই মামলায় এখন পর্যন্ত কোনো গ্রেপ্তার নেই।

গতকাল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকা ছাত্র-জনতার গণমিছিল কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষ চলাকালে পুলিশ কনস্টেবল সুমনকে বেধড়ক মারধর করেন বিক্ষোভকারীরা। মুমূর্ষু অবস্থায় তাঁকে খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

গতকাল রাতে হাসপাতালে দাঁড়িয়ে খুলনা মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. মোজাম্মেল হক বলেন, ‘আমাদের ১৫-২০ জন সদস্যকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়েছে। আমাদের এক কনস্টেবল সুমনকে তারা এমনভাবে আঘাত করেছে যে তাঁর মাথায় ইন্টারনাল ইনজুরি হয়ে যায়, তাঁর মাথার খুলি ভেঙে যায়। তাঁকে এনে এখানকার আইসিইউতে নেওয়ার পর তিনি মারা যান। এর বাইরে আমাদের অন্য একজন সদস্য আইসিইউতে আছেন। ২০-২৫ জন বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।’

নিহত সুমনের বাড়ি বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলায়। ওই গ্রামের সুশীল কুমার ঘরামী ও গীতা রানী ঘরামীর সন্তান তিনি। শুক্রবার সন্ধ্যায় খুলনার গল্লামারী মোহাম্মদনগর এলাকায় পিটুনিতে নিহত হন তিনি। সুমন স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে নগরের বয়রা এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। তিনি খুলনা মহানগর পুলিশের সোনাডাঙ্গা জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার সৌমেন বিশ্বাসের দেহরক্ষী ছিলেন। উৎস: প্রথম আলো


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ