সিসি নিউজ।। নীলফামারীর জলঢাকায় সাবেক এমপি সাদ্দাম হোসেন পাভেল ও অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা এবং সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আনছার আলী মিন্টু ও আব্দুল ওয়াহেদ বাহাদুরসহ ১৬০ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা হয়েছে। বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে ছাত্র-জনতার উপর হামলার অভিযোগে নীলফামারীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। এছাড়া মামলায় অজ্ঞাতনামা ১০০০ থেকে ১৫০০ জনকে আসামী করা হয়েছে।
জলঢাকা পৌরসভার দক্ষিণ কাজিরহাট গ্রামের হাজীপাড়ার মজিবর রহমানের ছেলে ইয়াছিন আলী বাদী হয়ে সোমবার (৭ অক্টোবর) মামলাটি দায়ের করেন। আদালত মামলা গ্রহণ করে জলঢাকা থানা পুলিশকে এফআইআরের নির্দেশ দিয়েছেন। বাদী পক্ষের আইনজীবী এ্যাডভোকেট আবু সফী মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, গত ৪ আগস্ট দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জলঢাকা বাজারে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে মিছিল বিভিন্ন রাস্তা প্রদক্ষিন করছিল। মিছিলটি জলঢাকা পেট্রোল পাম্প এলাকায় পৌঁছানো মাত্র আওয়ামী লীগের সাংসদ সাদ্দাম হোসেন পাভেল, সাবেক সাংসদ অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা, উপজেলা চেয়ারম্যান আনছার আলী মিন্টু, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াহেদ বাহাদুর, আওয়ামীলীগ নেতা নাসিব সাদিক নোভা, এনামুল হকের নেতৃত্বে লাঠি, ছোড়া, চাইনিজ কুড়াল ইত্যাদি অস্ত্র দিয়ে মিছিলে হামলা করে। এতে মামলার বাদী ইয়াসিন আলীকে হত্যা উদ্দেশ্যে তার মাথায় ও হাতে গুরুতর কাটা জখম করে। পরে স্থানীয় জনগণ আশংকাজনক অবস্থায় তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করায়।
এ প্র্রসঙ্গে আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জলঢাকা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আলমের সাথে কথা হয়। তিনি জানান, এখনো আদালত থেকে এ সংক্রান্ত কাগজপত্র আমাদের হাতে পৌছেনি। আদালতের কাগজপত্র পেলে অবশ্যই নির্দেশনা অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।