• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৮ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

ভারতকে ব্যান্ডউইথ ট্রানজিট দেবে না বাংলাদেশ

সিসি নিউজ ডেস্ক।। বাংলাদেশের ওপর দিয়ে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সাত রাজ্যে ব্যান্ডউইথ নেওয়ার প্রস্তাবকে গ্রহণ করেনি টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা (বিটিআরসি)। এ ধরনের ট্রানজিট সংযোগের মাধ্যমে আঞ্চলিক হাব হিসেবে বাংলাদেশের ভূমিকা দুর্বল হবে বলে মনে করে সংস্থাটি।

গত ১ ডিসেম্বর বিটিআরসির ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড অপারেশন্স বিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান স্বাক্ষরিত চিঠিতে এ বিষয়টি জানানো হয়৷

গত বছর ভারতী এয়ারটেলের মাধ্যমে সিঙ্গাপুর থেকে আখাউড়া সীমান্ত হয়ে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ব্যান্ডউইথ সরবরাহের জন্য সামিট কমিউনিকেশনস এবং ফাইবার অ্যাট হোম আবেদন করলে বিটিআরসি এ ব্যাপারে টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অনুমতি চায়। এর আগে, ভারতী এয়ারটেল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি আবেদনে আখাউড়া হয়ে আগরতলাকে বাংলাদেশের কক্সবাজার ও কুয়াকাটার সাবমেরিন কেবল ল্যান্ডিং স্টেশনের সঙ্গে সংযুক্ত করে সিঙ্গাপুর পর্যন্ত যাওয়ার অনুমতি চেয়েছিল।

সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, এই ব্যবস্থায় বাংলাদেশ ট্রানজিট রুট হিসাবে কাজ করবে। এতে করে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সাত রাজ্য ত্রিপুরা, অরুণাচল প্রদেশ, আসাম, মিজোরাম, মণিপুর, মেঘালয় এবং নাগাল্যান্ডের জন্য দ্রুত ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত হবে।

বিটিআরসির নথিতে বলা হয়েছে, ট্রানজিট সংযোগ স্থাপনের অনুমতি প্রদান করা হলে তা সিডিএন নেটওয়ার্ক প্রোভাইডারসমূহ যেমন: মেটা, গুগল, আকামাই, আমাজন ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানসমূহকে বাংলাদেশে তাদের এজ পিওপি/এজ ডেটা সেন্টার স্থাপনের ক্ষেত্রে নিরুৎসাহিত করবে। এ ধরণের সংযোগের মাধ্যমে আঞ্চলিক হাব হিসেবে বাংলাদেশের ভূমিকা দুর্বল হবে। ভবিষ্যতে সাবমেরিন ক্যাবলের ক্যাপাসিটি আরও বৃদ্ধি পাবে এবং এ ধরণের সংযোগের অনুমতি প্রদান করা হলে তা উক্ত ক্যাপাসিটি ব্যবহার করে পার্শ্ববর্তী দেশসমূহে ব্যান্ডউইথ রফতানির সুযোগকে ব্যাহত করবে।’

এ সব কারণে বাংলাদেশের ওপর দিয়ে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সাত রাজ্যে ব্যান্ডউইথ নেওয়ার প্রস্তাবকে বাতিল করা হয়েছে বলে জানায় বিটিআরসি। উৎস: আজকের পত্রিকা


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ