• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪১ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ এক বোনের মৃত্যু, মুমূর্ষু আরেকজন

সিসি নিউজ।। নীলফামারীতে রান্না করার সময় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে আহত দুই বোনের মধ্যে চিকিৎসাধীন এক বোন নিহত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) ভোরে নীলফামারী সদর উপজেলার সংগলশী ইউনিয়নের হাজীপাড়া মসজিদসংলগ্ন একটি বাসায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যাওয়া নারীর নাম সুইটি আক্তার (২২)। দগ্ধ তাসফিয়া আক্তার (১৯) ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। তাঁদের বাড়ি নীলফামারীর ডোমার উপজেলার হরিণচড়া ইউনিয়নে। বাবার নাম বাবুল হোসেন। দুজনেই উত্তরা ইপিজেডের সেকশন সেভেন কোম্পানির কর্মী। তারা বাসাটি ভাড়া নিয়ে বসবাস করছিলেন।

স্বজন ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, বাবার অভাবের সংসারে দারিদ্র্য ঘোচাতে নীলফামারীর উত্তরা ইপিজেডে কাজ নিয়েছিলেন ওই দুই বোন। প্রতিদিনের মতো আজও কাজে যাওয়ার জন্য ভোরে উঠে গ্যাসের চুলায় রান্না উঠান। রান্না করার সময় গ্যাস সিলিন্ডারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এ সময় পুরো রান্না ঘরে আগুন ছড়িয়ে পড়ায় মুহূর্তেই অগ্নিদগ্ধ হন দুই বোন। পরে প্রতিবেশীরা বাসার দেয়াল ভেঙে তাদের উদ্ধার করে প্রথমে নীলফামারী সদর হাসপাতালে ভর্তি করান। অবস্থার অবনতি হলে সকাল ৯টার দিকে রংপুর মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করানো হয়। দুপুর দেড়টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান সুইটি।

বাসা মালিক রেজাউল ইসলাম বলেন, ভোরে তাসফিয়াদের রান্না ঘরে আগুন জ্বলে উঠে। পুরো ঘরে আগুন লেগে যায়। এ সময় প্রথমে এক বোনের গায়ে আগুন লাগে, পরে তাকে বাঁচাতে গিয়ে অন্য বোনও পুড়ে যায়। বাসার গেট বন্ধ থাকায় দেয়াল ভেঙে প্রতিবেশীরা তাদের হাসপাতালে নিয়ে যায়। সম্ভবত গ্যাস লিকেজ ছিল আগে থেকেই, আগুন জ্বালানোর সময় পুরো রান্না ঘরে আগুন লেগে যায়।

বাবা বাবুল ইসলাম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘আগুন আমার মেয়ে দুইটাকে শেষ করি দিল। আমি এখন কি নিয়ে বাঁচব। ইপিজেডে কাজ করায় পাশে ভাড়া থাকত। সকালে অফিস যেতে হয় তাই রান্না করছিল। গ্যাসের আগুনে মেয়ে দুইটাকে পুড়ে মারল।’

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন, প্লাস্টিক ও কসমেটিক সার্জারি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. মো. শাহীন শাহ বলেন, ‘তাদের শরীর শতভাগ পুড়ে গেছে। সুইটি নামের একজন মারা গেছে। অন্যজনের অবস্থা খুবই সংকটাপন্ন। আমাদের চিকিৎসা সেবা অব্যাহত রয়েছে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ