আতা শাহ ভোলা জানান, প্রতিদিনের মতো ওইদিন সন্ধ্যায় তিনি তার গোয়াল ঘরে গরুগুলোকে খাবার দিয়ে আসেন। গোয়াল ঘরের দরজায় তালা দিয়ে নিজের ঘরে এসে ঘুমিয়ে যান। ভোরে ঘুম থেকে ওঠে গোয়াল ঘরে গিয়ে দেখেন দরজায় তালা কাটা। গরু নেই। রাতের কোন এক সময় চোরেরা গোয়াল ঘরের দরজার তালা কেটে ৫টি গরু নিয়ে গেছে। হালকা বৃষ্টি থাকায় টের পাওয়া যায়নি।
তিনি আরও বলেন, বাড়ির বাইরে রাস্তায় পিক-আপের চাকার দাগ দেখা গেছে। তাই ধারণা করা হচ্ছে গরু চুরি করে পিক-আপে করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
ওই এলাকার ইউপি সদস্য মো. মহির উদ্দিন মুঠোফোনে চুরির বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, কুরবানী ঈদের আগে গরু চুরির ঘটনা বেড়েছে। কয়েকদিন আগেও এ এলাকায় গরু চুরির ঘটনা ঘটে। গতকালকের ঘটনায় গরু পালনকারী কৃষদের মাঝে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।
সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফইম উদ্দিন বলেন, গরু চুরির কোন তথ্য জানা নেই। এসংক্রান্ত কোন অভিযোগও পাইনি। তবে এ বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হবে। লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কাথা জানান তিনি।