• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১২ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

প্রেমের টানে দিনাজপুরে প্রেমিকার বাড়িতে চীনা নাগরিক

সিসি নিউজ ডেস্ক।। এক বছর আগে ‘হ্যালো ট্যাগ’ অ্যাপসের মাধ্যমে বাংলাদেশি তরুণী সুরভী আক্তারের সঙ্গে পরিচয় হয় চীনা নাগরিক ইয়ং সাও সাওয়ের। গুগল ট্রান্সলেটের মাধ্যমে শুরু হয় তাদের কথোপকথন। আস্তে আস্তে সেটি রূপ নেয় ভালোবাসায়। আর সেই ভালোবাসার টানে বাংলাদেশের দিনাজপুরে এসেছেন ইয়ং সাও সাও। এবং বাংলাদেশি তরুণী সুরভীকে বিয়ে করে দিনাজপুরের বিরল উপজেলার কাজীপাড়া শিমুলতলী এলাকায় বসবাসও করছেন।

সুরভী আক্তার (১৯) ওই এলাকার নুর হোসেন বাবুর বড় মেয়ে। আর ইয়ং সাও চীনের জিয়াংশু সিটির বাসিন্দা মৃত ইয়াং শি এবং মা লিও ট্যাংহু দম্পতির ছেলে।

গত ৪ আগস্ট ইয়ং সাও বাংলাদেশে আসেন এবং ৯ আগস্ট প্রেমিকাকে বিয়ে করেন বলে জানা গেছে।

সরেজমিনে সুরভীর বাড়ীতে গিয়ে দেখা যায়, আশপাশের গ্রামের নারী-পুরুষ ও শিশু-বয়স্ক সকলেই এসেছেন ইয়ং সাওকে দেখতে। কেউ কেউ কথা বলার চেষ্টা করছেন। এ সময় নতুন জামাই মোবাইল ট্রান্সলেট ব্যবহার করে উত্তর দিচ্ছেন। কেউ কেউ সেলফি ও ভিডিও করছেন।

প্রেম ও বিয়ে নিয়ে সুরভী আক্তার বলেন, ‘হ্যালো ট্যাগ নামে একটি অ্যাপসের মাধ্যমে আমাদের পরিচয় হয়। তারপর শুরু হয় কথা, এক সময় শুরু হয় মন দেওয়া-নেওয়া। আমাদের সম্পর্ক এক বছর হলো। পরে সে বাংলাদেশে এসে আমাকে বিয়ে করতে চায়। আমি তাকে জানাই, যদি আমার ধর্ম গ্রহণ করতে পারো তাহলে আমি তোমাকে বিয়ে করতে রাজি আছি। পরে সে বাংলাদেশে আসে এবং আমাকে বিয়ে করে। আমার পরিবার ও এলাকাবাসী অত্যন্ত খুশি।’

সুরভীর ছোট বোন রিয়া আক্তার বলেন, ‘আমি খুব খুশি হয়েছি। আমার দুলাভাই চীনা নাগরিক। এটা আমার কাছে গর্ব করার মত। কারণ আমার বোনের ভালোবাসার টানে বাংলাদেশ এসেছে এবং বিয়ে করেছে। আমি দুলাভাইয়ের সঙ্গে মোবাইলে ট্রান্সলেট ব্যবহার করে কথা বলছি। আমার পরিবারের সবাই খুশি হয়েছি।’

সুরভীর বাবা নুর হোসেন বাবু বলেন, ‘আমার দুই মেয়ে। তারা মায়ের সঙ্গে ঢাকায় থাকে। আমার বড় মেয়ের সঙ্গে চীনা নাগরিকের পরিচয় হয় এবং তারা একে অপরকে পছন্দ করে। বাংলাদেশে এসে সে আমার মেয়েকে বিয়ে করেছে। এটা জানার পর ৯ আগস্ট আমি তাদের ঢাকার গাজীপুর থেকে দিনাজপুরে নিয়ে এসেছি।’

স্থানীয় সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের এলাকায় বিদেশে জামাই। বিষয়টি অবশ্যই ভালো এবং গর্ব করার মতো। ইতিমধ্যে অনেকে আসছেন, দেখছেন, কথা বলছেন। ভালো লাগছে। আগে তো টিভিতে দেখেছি বিদেশে জামাই, আর এখন আমাদের এলাকায় বিদেশে জামাই।’

 

 

উৎস: সমকাল


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ