সিসি নিউজ।। নীলফামারীর চারটি সংসদীয় আসনে ৯জন প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র বাতিল হয়েছে। যাচাই-বাছাইয়ে শুক্রবার ৬জন ও গত বৃহস্পতিবার ৩জনের মনোনয়ন পত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়।
জেলার ৪টি আসনে ৩৩ প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র জমা পড়ে। ৯জনের মনোনয়ন পত্র বাতিলের পর বৈধ প্রার্থী রইলো ২৪ জন।
শুক্রবার নীলফামারী-৩ (জলঢাকা) এবং নীলফামারী-৪ (কিশোরগঞ্জ-সৈয়দপুর) আসনের মনোনয়ন পত্র যাচাই-বাছাই হয়। এসময় নীলফামারী-৩ আসনে ঋণ খেলাপীর দায়ে মো. রোহান চৌধুরী (জাপা) এবং ত্রুটিপূর্ণ হলফনামার কারণে মো. আমজাদ হোসেনের (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ) মনোনয়ন পত্র বাতিল হয়।
নীলফামারী-৪ আসনে স্বতন্ত্র ৪ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়। তারা হলেন, মো. জোবায়দুর রহমান, রিয়াদ আরাফাত সরকার, মো. মামুনুর রশিদ ও মো. শাহরিয়ার ফেরদৌস। এক শতাংশ ভোটারদের তথ্যে ত্রুটি থাকায় ওই ৪জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার যাচাই-বাছাইয়ে নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. রফিকুল ইসলাম এবং নীলফামারী-২ (সদর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল হাসনাত মো. সাইফুল্লাহ ও মিনহাজুল ইসলামের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। এক শতাংশ ভোটারদের তথ্যে ত্রুটি থাকায় তাদের মনোনয়ন বাতিল হয়।
৯ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের পর চারটি সংসদীয় আসনে বৈধ প্রার্থী রইলো ২৪জন। এর মধ্যে নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনে ৯ জন, নীলফামারী-২ (সদর) ৫জন, নীলফামারী-৩ (জলঢাকা) ২ জন, নীলফামরী-৪ (সৈয়দপুর কিশোরগঞ্জ) আসনে ৮ জন।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান এসব তথ্য নিশ্চিৎ করে বলেন, ‘জেলার ৪টি আসনে মোট ৩৩জন প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র জমা পড়েছিল। শুক্রবার পর্যন্ত ওই ৪টি আসনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে ৯জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। জেলার ৪টি আসনে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা রইলো ২৪ জন। তবে মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রার্থীরা চাইলে প্রার্থীতা ফিরে পেতে নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন’।