• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২২ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

নীলফামারীতে ৯টি চোরাই গরু উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১

সিসি নিউজ।। নীলফামারীতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৯টি গরু উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় চোরচক্রের এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া গরুর মধ্যে তিনটি গরু একটি চুরির ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৯ মার্চ ভোররাতে নীলফামারী সদর উপজেলার পলাশবাড়ী ব্রাহ্মণপাড়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুল আজিজ খানের গোয়ালঘরে থাকা চারটি গরুর মধ্যে তিনটি গরু অজ্ঞাতনামা চোরেরা চুরি করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে নীলফামারী থানায় ১০ মার্চ পেনাল কোডের ৪৫৭/৩৮০ ধারায় একটি মামলা দায়ের করে।
মামলার তদন্তভার নীলফামারী থানার পুলিশ পরিদর্শক দেওয়ান শাহিন জামানের ওপর অর্পণ করা হয়। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল), থানার অফিসার ইনচার্জসহ পুলিশের একটি দল চুরি যাওয়া গরু উদ্ধারে অভিযান শুরু করে।
এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১০ মার্চ রাতে পলাশবাড়ী এলাকার জ্ঞানদাশ কানাইকাটা গ্রামের বাসিন্দা সুজন ইসলাম (২৪) কে তার নিজ বাড়ি থেকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি গরু চুরির সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন এবং তার সহযোগীদের সঙ্গে মিলে গরু চুরির বিষয়টি পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি দেন।
পরে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ১১ মার্চ রাতে সুজন ইসলামের বাড়ির পেছনে একটি ভুট্টাক্ষেত থেকে তার দেখানো মতে ও বাদীর শনাক্তে চুরি হওয়া একটি গরুসহ আরও দুটি গরু উদ্ধার করা হয়।
পরবর্তীতে জিজ্ঞাসাবাদে সুজন ইসলাম জানান, চুরি হওয়া বাকি গরুগুলো তরুণীবাড়ি গ্রামের মোস্তাকিনের বাড়িতে রাখা হয়েছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ধৃত আসামিকে সঙ্গে নিয়ে ওই বাড়িতে অভিযান চালায়। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্ত মোস্তাকিন পালিয়ে যায়।
পরে ১১ মার্চ রাতে মোস্তাকিনের বসতবাড়ির আধাপাকা টিনশেড ঘর থেকে সুজন ইসলামের দেখানো মতে ও বাদীর শনাক্তে চুরি হওয়া দুটি গরুসহ আরও চারটি গরু উদ্ধার করা হয়। অভিযানের মাধ্যমে সুজন ইসলাম ও মোস্তাকিনের বাড়ি থেকে সর্বমোট ৯টি গরু উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ডের প্রক্রিয়া শেষে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত চোরচক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) এ.বি.এম. ফয়জুল ইসলাম জানান, গরু চুরির ঘটনায় জড়িত চক্রকে আইনের আওতায় আনতে পুলিশ তৎপর রয়েছে এবং পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান আছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ