• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৯ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

রাজিবপুরে সেতুর অভাবে ১০ হাজার মানুষের দুর্ভোগ!

Rajibpurআতাউর রহমান, রাজিবপুর (কুড়িগ্রাম): কুড়িগ্রামের রাজিবপুরে ১টি সেতুর অভাবে ১০ গ্রামের হাজার হাজার মানুষ দীর্ঘ দিন যাবৎ দুর্ভোগ পোহাচেছ। সরেজমিন ঘুরে জানাগেছে,উপজেলার সীমান্ত বর্তী বালিয়ামারী গ্রামের পার্শ্ব দিয়ে বয়ে গেছে একটি ছোট নদী। নাম তার জিনজিরাম। ভারতের কালো নদী থেকে বয়ে আসা নদীটি রৌমারী উপজেলার বড়াইবাড়ি সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করে জিনজিরাম নামকরন করেছে । জিনজিরামের ওপারে রয়েছে পার্শ্ববর্তী রৌমারী উপজেলার বড়াইবাড়ি, কলাবাড়ি, চিলিয়ারচর, বকবান্ধা, খেয়ারচর, আলগারচর লাঠিয়াল ডাঙ্গার ৭টি  গ্রাম। উক্ত গ্রামে রয়েছে ১০ হাজার লোকের বসবাস। রৌমারী উপজেলার বাসিন্দা হলেও চলাচল করতে হয় রাজিবপুরের বুক চিরে। সর্বদা পারাপার হতে হয় জিনজিরাম নদীর উপর দিয়ে। এপারের বালিয়ামারী, নয়াপাড়া ও ব্যাপারী পাড়ার ৩টি গ্রামের অধিকাংশ মানুষের আবাদী জমি নদীর ওপারে। ওপারের জমিতে ফলে ২ উপজেলার সিংহ ভাগ ফসল। বর্ষা মৌসুমে নৌকা দিয়ে মালামাল পারাপার করলেও শুষ্ক মৌসুমে পরতে হয় বিপাকে। না চলে নৌকা না চলে গাড়ি। শুষ্ক মৌসুমে এলাকাবাসি নিজস্ব উদ্যোগে  নদীর উপর বাশেঁর সাকোঁ তৈরি করে ঝুঁকি নিয়ে মালামাল, গরু-বাছুর পারাপার করতে বাধ্য হয়। অথচ ১টি সেতু নির্মান করা হলে ১০ গ্রামের মানুষের দু:খ-কষ্ট দুর হত। বালিয়ামারী জিনজিরাম নদীর উপর সেতুটি নির্মান করা হলে সীমান্ত এলাকায় সহজেই বিজিবি সদস্যরা তাদের কর্তব্য পালন করতে পারত। সীমান্তে চোরাচালানও মাদক দ্রব্য পাচার রোধে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে পারবে। স্কুল, কলেজগামীরা সহজেই পৌঁছতে পারত শিক্ষালয়ে ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ