নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: নাগেশ্বরী থানার দুই পুলিশ সদস্যের দাপটে থানা এলাকার সাধারণ মানুষ ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছে। বিনা কারণে মানুষকে হয়রানী করছে তারা। কোন প্রকার অভিযোগ ছাড়াই মানুষকে ধরে এনে মোটা অংকের টাকা নিয়ে ছেড়ে দিচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার রামখানা ইউনিয়নের দীঘিরপাড় বাজার মোটরসাইকেলসহ ভূরুঙ্গামারী উপজেলার জয়মনিরহাট এলাকার ডা. সেলিম এবং ভূরুঙ্গামারী সদরের জাকিরকে আটক করে। এদের কাছে তল্লাশী করে অবৈধ কিছু না পেলেও ৩০ হাজার দাবী করে এএসআই মাসুদ। এতে রাজী না হলে তাদের থানায় নিয়ে আসে। পরে রাতে আটকদের কাছ থেকে ১৮ হাজার টাকা নিয়ে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এজেএম এরশাদ আহসান হাবিবকে ডেকে এনে ভ্রাম্যমান আদালতে প্রতিজনের ৫শ’ টাকা করে জরিমানা করে। গত বুধবার এএসআই মাসুদ নাগেশ্বরী সদরের পেট্রোল পাম্প এলাকায় নারায়নপুর ইউনিয়নের এক যুবলীগ নেতার মোটর সাইকেল আটক করে বৈধ কাগজ থাকলেও থানায় নিয়ে আসে। পরে ওসি মোটরসাইকেলটি মালিকের কাছে ফিরিয়ে দেয়। দীর্ঘদিন থেকে এএসআই মাসুদ নিরীহ মানুষদের হয়রানী করে আসছে। এমনকি মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত রয়েছে বলেও জানা গেছে। এ বিষয়ে এএসআই মাসুদ বলেন, আটক দু’জনের ভ্রাম্যমান আদালতে দেয়া হয়েছে। পেট্রোল পাম্প এলাকার ঘটনাটি ভূল ইনফরমেশন ছিল বলেও জানান তিনি। নাগেশ্বরী থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রশিদ এ ব্যাপারে বলেন, ছোট-খাটো কিছু ঘটনা ঘটে। এগুলো না দেখা ভাল।