বিশেষ প্রতিনিধি: চলতি মৌসুমে পর্যাপ্ত পরিমাণ লিচুর মুকুল দেখা যাওয়ায় চাষিদের মুখে দেখা দিয়েছে হাসি। এবার লিচুর বাম্পার ফলনের আশা করছেন লিচু উৎপাদনকারী চাষিরা। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগ রোগ বালাই এর কারণে লিচুর মুকুল ঝড়ে পড়া ও পচনের আশংকাও করছেন লিচু চাষীরা। তাই সময় মত গাছে বিষ প্রয়োগ ভিটামিন প্রয়োগ মাটিতে সার প্রয়োগসহ সব ধরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করছে চাষীরা। মুকুলে মুকুলে ছেয়ে গেছে লিচুর বাগান। লিচুর মুকুল থেকে মধু সংগ্রহ করতে মৌমাছিরা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে। অন্য দিকে চাষীরা ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন গাছ পরিচর্যায়। ফল ভাল পাওয়ার আশায় দিনরাত গাছের পরিচর্যায় ব্যস্ত রয়েছেন লিচু চাষীরা। দিনাজপুরের ১৩টি উপজেলার মাটি লিচু চাষের উপযোগী হওয়ায় এই অঞ্চলে দিন দিন লিচুর বাগানের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রায় ৩ হাজার এর বেশি লিচু বাগানের সংখ্যা রয়েছে দিনাজপুরে। লিচু দিনাজপুরের একটি অর্থকরী ফসল হওয়ায় এই অঞ্চলের মানুষের অর্থনীতিতে গতি সঞ্চার করে।
তাই দিনাজপুরের পার্বতীপুর পৌর মেয়র এ,জেড,এম মিনহাজুল হক দিনাজপুরে একটি লিচু গবেষণা কেন্দ্র স্থাপনের দাবী জানান। তিনি লিচু চাষীদের স্বনির্ভর হওয়ার আহবান জানান। বাগান ছাড়াও বাড়ির আঙ্গীনায় রাস্তার পাশে পুকুর পাড়ে ও ঘরের আসে পাশে লিচুর গাছ লাগিয়ে বাড়তি আয় করা যায়। বাড়তি আয়ের সুযোগ করে দেয়। একটি পূর্ণবতী লিচুর গাছ থেকে প্রায় ৩০/৩৫ হাজার টাকার লিচু পাওয়া যায়।
অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি, তাপমাত্রা বৃদ্ধি ঝড় ও পচনের কারণে লিচুর মুকুরল যেন নষ্ট না হয়ে যায় তার জন্য চাষীদের সতেচন থাকার সব সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন কৃষি অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক। চলতি মৌসুমে লিচুর উৎপাদন লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার ৫শ’ হেক্টর। আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে উৎপাদনের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে।