সিসি নিউজ: আবারো স্বর্ণ চোরাকারবারিরা সক্রিয় হয়ে উঠার অভিযোগ মিলেছে। প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে উত্তরের জেলা ও উপজেলা শহরের নির্দিষ্ট ব্যবসায়ীদের সাথে গড়ে তুলেছে সিন্ডিকেট। আর এতে শহরের প্রকৃত ব্যবসায়ীরা স্বর্ণ ব্যবসায় লোকসানের মুখে পড়েছে মর্মে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দেয়া একটি লিখিত অভিযোগ রয়েছে।
সূত্র মতে, চোরাচালানের একটি সক্রিয় সিন্ডিকেট দিনাজপুরের সীমান্ত দিয়ে পাচার করে আনছে ভারতীয় স্বর্ণ। আর এসব স্বর্ণ দিনাজপুর, নীলফামারী, সৈয়দপুরসহ আশেপাশের জেলা ও উপজেলা শহরের তাদের গড়ে তোলা সিন্ডিকেটের স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা কম মূল্যে ক্রয় করছে। পরে ক্রেতাদের কাছে ওইসব স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা সংশ্লিষ্ট সমিতির নির্ধারিত মূল্যের কমে বিক্রি করছে। ফলে এসব চোরাই স্বর্ণের বাজারের কাছে দেশীয় স্বর্ণের বাজার মার খাচ্ছে, সেই সাথে সরকার হারাচ্ছে বড় অঙ্কের একটি রাজস্ব। ওই সূত্রটি মতে, দিনাজপুরের ফুলবাড়ি উপজেলা শহরের মোহিনী জুয়েলার্স-এর মালিক দুই সহোদর গৌতম ও গনেশ সিন্ডিকেটের সক্রিয় সদস্য। তারা ভদ্রবেশে উত্তরের জেলা ও উপজেলা শহরে গড়ে তোলা সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের কাছে চোরাই মালামালগুলো পৌছে দেয়। এতে প্রকৃত স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা তাদের ব্যবসা গুটিয়ে নিতে বাধ্য হচ্ছে। তারা এ বিষয়ে ডিআইজি পুলিশ, রংপুর রেঞ্জ, রংপুর বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছে।
অভিযোগ সূত্র মতে, সৈয়দপুরে এই অবৈধ ব্যবসায় জড়িত জুয়েলার্সগুলো হচ্ছে শাহাবুদ্দিন জুয়েলার্স, রাহাত জুয়েলার্স, লাকী জুয়েলার্স, নিউ প্রামাণিক জুয়েলার্স, শাহজাদি জুয়েলার্স, নাসিম জুয়েলার্স, কারুপন্ন জুয়েলার্স, স্বর্ণা জুয়েলার্স, উর্মি জুয়েলার্স ও কায়সার জুয়েলার্স। নীলফামারী শহরের শাহজাহান জুয়েলার্স ও খুশি জুয়েলার্স এবং ডোমারের সানী জুয়েলার্স ও দিনাজপুরের রফিক জুয়েলার্স। উল্লেখ্য যে, সৈয়দপুর স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের পক্ষে ওই অভিযোগটি করা হয়েছে।