• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৩৬ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

গবেষণাগারে তৈরি যৌনাঙ্গ নারীদেহে স্থাপিত হলো

apr_2014আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যোনিপথে জন্মগত ত্রুটির কারণে অনেক নারীর গর্ভধারণ ও স্বাভাবিক যৌনকর্মে সমস্যা হয়। তবে এ সমস্যার সমাধান নিয়ে এসেছে গবেষণাগারে কৃত্রিমভাবে তৈরি যোনিপথ। চারজন নারীর দেহে এমন ধরনের যোনিপথ স্থাপন করা সম্ভব হয়েছে। ফক্স নিউজ এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েক ফরেস্ট ব্যাপ্টিস্ট মেডিকেল সেন্টারের গবেষকরা জন্ম থেকে যোনিপথ না থাকা বা অপরিণত যোনিপথ সংক্রান্ত সমস্যার সমাধানে পদ্ধতি খুঁজে পেয়েছেন। এতে রোগীর নিজের দেহের কোষ দিয়েই গবেষণাগারে যোনিপথ তৈরি করা হয়। পরে এগুলো তাদের দেহে স্থাপন করা হয়। এ কাজে নেতৃত্বদানকারী প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ড. অ্যান্থনি অ্যাটালা বলেন, ‘অনেক রোগী আছেন যাদের যোনি ছোট এবং তারা অস্ত্রোপচার ছাড়া অন্য পদ্ধতির মাধ্যমে উপকার পেতে পারেন। কিন্তু যাদের এ অঙ্গটিই নেই তাদের জন্য এ পদ্ধতি কার্যকর হতে পারে।’ ড. অ্যাটালা কৃত্রিমভাবে যৌনাঙ্গ তৈরির এ গবেষণায় কাজ করছেন দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে। কীভাবে উপযুক্ত কোষ সংগ্রহ করে যোনিপথ তৈরি করতে হয় তা নিয়ে গবেষণা করেছেন দীর্ঘদিন। এরপর সে পদ্ধতি ইদুরের ওপর পরীক্ষা করেছেন।’ ড. অ্যাটালা বলেন, ‘আমরা যা করি তা হলো, খুব সামান্য পরিমাণ টিসু নেই রোগীর দেহের অপরিণত অঙ্গ থেকে। এ স্যাম্পলের আকার হতে পারে একটি স্ট্যাম্পের অর্ধেক।’ গবেষকরা এ স্যাম্পল নিয়ে গবেষণাগারে ইনকিউবেটরের ভেতর বিশেষ প্রক্রিয়ায় তা বাড়িয়ে তোলেন। পরে তা অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে রোগীর দেহে স্থাপন করা হয়। এ পদ্ধতিতে তৈরি যৌনাঙ্গ ১৩ থেকে ১৮ বছর বয়সি চারজনের দেহে স্থাপন করা হয়। ২০০৫ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত এ অস্ত্রোপচারগুলো করা হয়। যার পর প্রায় আট বছর রোগীদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। এতে দেখা যায়, কৃত্রিম যোনিপথ স্থাপন সফল হয়েছে এবং তারা স্বাভাবিক রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ