রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস.এম. মাজহারুল ইসলামের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ের হাত থেকে রক্ষা পেল ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী লাকী খাতুন (১৩)। ঘটনাটি ঘটেছে, উপজেলার বিদ্যানন্দ ইউপি’র চতুরা গ্রামে। এলাকাবাসী জানায়, ওই গ্রামের আব্দুল্লাহর মাদ্রাসা পড়ুয়া কন্যা ও পাইকারপাড়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসার ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী মোছাঃ লাকী খাতুন এর সঙ্গে একই ইউপি’র সুখদেব এলাকার সাহাবুদ্দিনের পুত্র গার্মেন্টস কর্মী খাইরুল ইসলাম (২২)-এর রোববার রাতে বিয়ের দিন ধার্য্য ছিল। এ বিয়ের খবর ছড়িয়ে পড়লে রাজারহাট কৃষ্ণচূড়া নামের একটি সামাজিক সংগঠনের একদল তরুণ ওই বাল্য বিয়ে ঠেকাতে তৎপরতা শুরু করে এবং বিয়ে না দিতে তারা মেয়ের পরিবারকে একাধিকবার বুঝানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। সবকিছু উপক্ষা করে বর পক্ষের লোকজন রোববার রাত ৮টার দিকে কনের বাড়িতে বিয়ের মজলিসে এসে উপস্থিত হন। এদিকে ওই বিয়ে ঠেকাতে কৃষ্ণচুড়া সংগঠনের সদস্যরা রাজারহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে বিষয়টি অবহিত করা মাত্রই তিনি রাত ৯টার দিকে রাজারহাট থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এম,এম ময়নুল ইসলামসহ একদল পুলিশ সঙ্গে নিয়ে ওই বিয়ের বাড়িতে উপস্থিত হন। ইউএনও’র উপস্থিতি টের পেয়ে বর পরে লোকজন সটকে পড়ে এবং কনের পক্ষের লোকজনকে বাল্য বিয়ে বন্ধ করার নির্দেশ দেন ইউএনও। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস.এম. মাজহারুল ইসলাম ও অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এম,এম ময়নুল ইসলামের উপস্থিতিতে মেয়ে পক্ষ তার কন্যা লাকী খাতুনকে বাল্য বিয়ে দিবেনা মর্মে অঙ্গীকার দিলে প্রশাসন চলে আসেন।