• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২৬ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

চড়ক মেলায় পিঠফোঁড়া খেলা

photo-1দিনাজপুর প্রতিনিধি: বছরের শেষ বাংলা মাস ১৪২০ সালের চৈত্র সংক্রান্তির পূর্ব থেকে ভবানীপুর এলাকা ও আশপাশের গ্রামগুলোতে চড়ক পূঁজার ধুম পড়েছে।
প্রতিবছরের মত এবারও শত বছরের ঐতিহ্য ধরে রাখতে বাংলা নববর্ষ বৈশাখের প্রথম দিন সোমবার (১৪২১ বাংলা) দিনাজপুর জেলার  পার্বতীপুর উপজেলার হাবড়া ইউনিয়নের ভবানীপুর হাট কেন্দ্রীয় কালী মন্দিরে চৈত্র সংক্রান্তিতে সকালে পূঁজা ও বিকালে পিঠ ফোঁড়া চড়ক পূঁজার মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ চড়ক পূঁজার মেলায় এবারও সব চেয়ে বড় আকর্ষণ হল ধলু চন্দ্র রায় (৫০)। পিঠের মধ্যে লোহার হুক লাগিয়ে চড়কিতে উঠে ঘুরা।
চৈত্র সংক্রান্তি উপলে হিন্দু সম্প্রদায়ের এবার এই চড়ক পূঁজার মেলায় প্রথমে শ্যামা পূজা, পিঠ ফোঁড়া ও সন্ধ্যার পরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। চড়ক পূজার সময় হাজার হাজার উৎসুক নারী-পুরুষের দৃষ্টি ধলু চন্দ্র রায়ের দিকে। ধলু চন্দ্র রায় পার্বতীপুর উপজেলার মোস্তফাপুর ইউনিয়নের ছোট চন্ডিপুর গ্রামের মৃত জলপেশ্বর রায়ের ছেলে। ঝুঁকিপূর্ণ এই পিঠফোঁড়া খেলা অত্যন্ত বেদনাদায়ক হলেও পিঠ ফোঁড়া খেলাটি দেখতে মেতে উঠে হাজারও আবাল বৃদ্ধ-বনিতা।
এই খেলা উপলে ভবানীপুর এলাকাসহ আশপাশের গ্রামের প্রতিটি ঘরে ঘরে চলে উৎসবের আমেজ। নারীরা আসে নাইয়র খেতে। মেলার দিনে এলাকা প্রকম্পিত হয়ে উঠে বাঁিশ ও বাদ্যযন্ত্রের আওয়াজে। এবারে মেলায় যারা উপস্থিত ছিলেন ভবানীপুর কেন্দ্রীয় কাঁলী মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা ও কার্যকরী কমিটির সভাপতি সাংবাদিক দুলাল রায় চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক জীবন চন্দ্র সরকার, মদন চন্দ্র দাস, প্রধান অতিথি হাবড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ নুরুজ্জামান মন্ডল(নূরু), অধ্যাপক মোঃ আনোয়ার হোসেন, শান্ত সরকার, ছন্দক সরকার, সুজন গুপ্ত, সঞ্জয় সরকার, কালিপদ সরকার, বাবলু সরকার, সুমন সরকার প্রমুখ। মেলায় আগত হাজারও নারী পুরুষ পিঠ ফোঁড়া খেলা দেখে তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলে যখন বাড়ী ফিরে তখন কেউ একবারের জন্য হলেও পিছন ফিরে দেখে না যে হাজারও মানুষকে আনন্দ দানকারী ব্যক্তিটি পরবর্তীতে কেমন থাকে!


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ