• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৬ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

ভারতে মুসলিম ছাত্রদের খাবার দেয়া হয় শেষে : হিউম্যান রাইটস ওয়াচ

74333_1আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতে অনেক শিক্ষক মুসলমানসহ সংখ্যালঘু ধর্মের এবং নিম্ন বর্ণের ছাত্রদের টয়লেট পরিস্কার করতে বাধ্য করেন, তাদেরকে খাবারও দেয়া হয় সবার শেষে। ভারতে কাসরুমে বিরাজমান বর্ণবৈষম্যের অংশ হিসেবেই এটা করা হয় বলে জানিয়েছে নিউইয়র্কভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। বার্তা সংস্থা এএফপির উদ্ধৃতি দিয়ে মঙ্গলবার ভারতের এনডিটিভি এ খবর পরিবেশন করেছে।
হিউম্যান রাইটস ওয়াচ জানিয়েছে, প্রান্তিক সম্প্রদায়ের ছাত্ররা অনেক সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও প্রিন্সিপালদের অব্যাহত বৈষম্য সহ্য করতে না পেরে শ্রমিক হিসেবে কাজ করাকেই অগ্রাধিকার দিয়ে স্কুল ছেড়ে দেয়।
মানবাধিকার সংস্থাটি চারটি রাজ্য- দিল্লি, উত্তর প্রদেশ, অন্ধ্রপ্রদেশ ও বিহারের ১৬০ জনেরও বেশি শিক্ষক, প্রিন্সিপাল, অভিভাবক, ছাত্রের সাক্ষাতকারের ভিত্তিতে ৭৭ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এসব রাজ্যে বিপুলসংখ্যক নিম্ন বর্ণ, আদিবাসী ও মুসলমানের বাস। প্রতিবেদনের লেখক জয়শ্রী বয়োরিয়া বলেন, গরিব ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ছাত্রদের বিরুদ্ধে শিক্ষক ও অন্য স্টাফদের মারাত্মক বৈষম্যের ফলে ভারতের সব শিশুকে শিক্ষা প্রদানের প্রকল্প মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, মুসলিম সম্প্রদায়ের শিশুদের প্রায়ই পেছনের সারিতে কিংবা আলাদা কাসে বসতে বাধ্য করা হয়। তাদেরকে অপমানজনক নামেও ডাকা হয়, নেতৃত্ব দিতে দেয়া হয় না, এবং খাবার দেয়া হয় সবার শেষে। মুসলিম ছাত্ররা অভিযোগ করেছে, স্কুলে তাদেরকে নামের বদলে অপমান করতে ‘মোল্লা’ বলে ডাকা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, কাসে বৈষম্যকারীদের শাস্তি দেয়ার কোনো বিধান নেই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ