সিসি নিউজ: দিনাজপুরের খানসামায় তীব্র তাপদাহে জনজীবনে অস্বস্তি নেমে এসেছে। মাঠে মাঠে পুড়ে যাচ্ছে কৃষকের ফসল ক্ষেত। বৈদ্যুতিক সেচযন্ত্র ও তেল চালিত শ্যালোমেশিন দিয়ে পানি সেচ দিলেও জমির রুক্ষতা কমছে না।
বিগত বছর গুলোতে দেখা গেছে, বাংলা বছর শুরুর সাথে সাথে কিংবা বছর শুরুর আগেই প্রকৃতির নিয়মানুযায়ী দেশ জুড়ে নতুন বৃষ্টি শুরু হয়। কিন্তু এ বছর বৈশাখ মাসের দু’সপ্তাহ পরও কোন বৃষ্টি না হওয়ায় তীব্র তাপদাহে মানুষ জন ও পশু-পাখিদের জীবন অস্বস্তিময় হয়ে পড়েছে। মাঠে মাঠে পুড়ে যাচ্ছে ভুট্টা, ইরি বোরো, পাট, করলা, মরিচ, মিষ্টি কুমড়া, পটলসহ বিভিন্ন ধরণের ফসল ক্ষেত। চাষিরা ফসল ক্ষেত বাঁচাতে বৈদ্যুতিক সেচযন্ত্র ও তেল চালিত শ্যালোমেশিন দিয়ে পানি সেচ দিলেও জমির রুক্ষতা কমছে না।
এ অবস্থায় উপজেলার প্রধান ফসল ভুট্টা এবার নানা প্রতিকূলতায় ফলন ও বাজার মূল্য কম থাকায় এবং প্রচন্ড তাপদাহে ফসল ক্ষেত পুড়ে যাওয়ায় চাষিরা দিশেহারা হয়ে পড়েছে। অপরদিকে, প্রচন্ড তাপে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় শিশু-নারী ও বৃদ্ধরা অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় গত শুক্রবার উপজেলার বিভিন্ন মসজিদ-মন্দিরে বৃষ্টির জন্য প্রার্থনা করা হয়।
তাপদাহ সম্পর্কে রংপুর আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ আতিকুর রহমানের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, বর্তমানে সূর্য এ অঞ্চলের ওপর অবস্থান করে লম্বভাবে তাপ দিচ্ছে এবং গত কয়েক সপ্তাহ ধরে কোন বৃষ্টি হচ্ছে না। ফলে, অধিক তাপমাত্রায় রুক্ষতা বেড়ে গেছে। আর রুক্ষতার অন্য কারণ হলো, আশঙ্কাজনক হারে বড় বড় গাছপালা কমে যাওয়া। তবে ঢাকা ও চট্টগ্রাম অফিসের তথ্যানুযায়ী আগামি সপ্তাহ নাগাদ বৃষ্টি হতে পারে বলেও তিনি জানান।