• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৯ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছে খানসামা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস

Dinajpur mapখানসামা (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: দিনাজপুরের খানসামায় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে অফিসার যোগদানের সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও অজ্ঞাত কারণে কোন শিক্ষা অফিসার যোগদান না করায় অফিসটি অভিভাবকহীন হয়ে পরেছে।
সূত্রমতে, গত ২৫ মার্চ এ উপজেলা থেকে শিক্ষা অফিসার নুরুল আমিন বদলি হয়ে যাওয়ার পর ২ এপ্রিল পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা অফিসার মনছুর আলী খানসামায় যোগদান করেন। কিন্তু যোগদানের একদিন পরেই তিনি আচমকা বদলীর স্থগিতাদেশ প্রাপ্ত হয়ে ৯ এপ্রিল চলে যান এবং খানসামা থেকে বদলি হয়ে যাওয়া শিক্ষা অফিসার নুরুল আমিন আবারও ফিরে আসতে জোড় তদবির চালান। এ ঘটনায় শিক্ষকদের মাঝে নানা জল্পনা-কল্পনা সৃষ্টি হলে রংপুর জেলার বদরগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জেসমিন আক্তার খানসামা শিক্ষা অফিসে গত ২০ এপ্রিলের মধ্যে যোগাদনের আদেশ প্রাপ্ত হন এবং ওই তারিখে দিনাজপুর জেলা শিক্ষা অফিসে যোগদান করেন ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটির আবেদন করেন। এ অবস্থায় উপজেলার শিক্ষা কর্মচারীরা অফিসিয়াল কাগজপত্র নিয়ে অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছেন।
নাম প্রকাশে অনেচ্ছুক একাধিক শিক্ষকের সাথে কথা বলে জানা যায়, প্রতি মাসের ২৫ তারিখের মধ্যে শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ও বিভিন্ন ধরণের তথ্য সম্বলিত কাগজপত্র প্রস্তুত করে শিক্ষা দপ্তরে পাঠাতে হয়। কিন্তু গত মাসের ২৫ থেকে চলতি মাসের ২৯ তারিখ পর্যন্ত কোন শিক্ষা অফিসার যোগদান না করায় শিক্ষকরা ভীষণ বেকায়দায় পড়েছেন। এদিকে সরকারি আদেশ উপেক্ষা করে কী কারণে শিক্ষা অফিসার জেসমিন আক্তার যোগদান করছেন না তা নিয়েও উপজেলা জুড়ে নানা বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
এ ব্যাপার ভারপ্রাপ্ত উপজেলা শিক্ষা অফিসার আজমল হোসেনের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, শিক্ষা অফিসার জেসমিন আক্তারের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে। তিনি অন্যত্র বদলির চেষ্টা করছেন।
পরে বদলীর আদেশ প্রাপ্ত শিক্ষা অফিসার জেসমিন আক্তারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমি গত ২০ তারিখ জেলা শিক্ষা অফিসে যোগদান করেছি এবং ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটিতে আছি। তবে রংপুরে পরিবার-পরিজন রেখে খানসামায় গিয়ে অফিস করা সম্ভব নয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ