• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩২ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

খানসামায় চাষিদের মাঝে ডলোচুন বিতরণ

Dolochunখানসামা (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: দিনাজপুরের খানসামায় আরডিআরএস বাংলাদেশ, ইএসডিএ এবং কর্ণেল বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক সহায়তায় এফপিবিপি প্রকল্প’র আওতায় আবাদী জমির অম্লত্ব দূর করতে চাষিদের মাঝে বিনামূল্যে ডলোচুন বিতরণ করা হয়েছে।
সূত্রমতে, উপজেলার মোট আবাদী জমির পরিমাণ ১৬ হাজার ১শ হেক্টর। যার মধ্যে ৬ হাজার ৫শ হেক্টর জমি তীব্র অম্লীয়। তাই এসব জমি অম্লমুক্ত করতে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ধারাবাহিক ভাবে উপজেলার ছয় ইউনিয়নের ৬শ জন চাষির মাঝে ৪ কেজি করে ডলোচুন বিতরণ করা হচ্ছে। বৃহত্তর রংপুর, দিনাজপুর সহ সিলেট চট্টগ্রাম, বরেন্দ্র ও মধুপুর অঞ্চলের অধিকাংশ মাটিই তীব্র অম্লীয়। এসব অঞ্চলের মাটিতে ফসফরাস, ক্যালসিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম ও মলিবডেনামের স্বল্পতা এবং অ্যালুমিনিয়ম, আয়রণ ও ম্যাঙ্গানিজ অধিক পরিমাণে থাকায় ফসলের বৃদ্ধি বাধাগ্রস্থ হয়। ফলে, এসব অঞ্চলের জমিতে চাষকৃত ফসলের কাঙ্খিত ফলন হয় না।
গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশে প্রায় ৮৫ লাখ হেক্টর আবাদী জমির মধ্যে অম্লীয় জমির পরিমাণ প্রায় ৫১ লাখ হেক্টর এবং তীব্র অম্লীয় জমির পরিমাণ ৩৪ লাখ হেক্টর। তবে, এসব জমিতে ডলোচুন, ডলো-অম্লচুন বা ডলোমাইট সুপারিশকৃত মাত্রায় প্রয়োগ করলে বছরে অতিরিক্ত ৫০ থেকে ৬৫ লক্ষ টন ফসল উৎপাদন করা সম্ভব। কেননা, ডলোচুনে সন্তোষজনক মাত্রায় ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম থাকায় তীব্র অম্লীয় মাটির অম্লত্ব হ্রাস করতে সাহায্য করে।
গবেষণালব্ধ ডলোচুনের ব্যবহার বিধিতে বলা হয়েছে, গম, ভুট্টা, আলু, সরিষা এবং ডাল, মসলা ও সবজি জাতীয় ফসলের ফলন ১০ থেকে ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। ডলোচুন একবার প্রয়োগ করলে পরবর্তী তিন বছর ধরে জমিতে কাজ করে এবং ম্যাগনেসিয়াম জাতীয় কোন সার প্রয়োগের প্রয়োজন হয় না বলেও গবেষকরা উল্লেখ করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ