নীলফামারী প্রতিনিধি: নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শুটিবাড়ী হাটে শৌচাগার না থাকায় হাটে আসা ক্রেতা-বিক্রেতাদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে পরিত্যক্তের অযুহাতে স্থানীয় চেয়ারম্যানের নির্দেশে তার লোকজন হাটের একটি পাকা শৌচাগার ভেঙ্গে রড ও ইট নিয়ে যাওয়ায় এ দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে। এব্যাপারে স্থানীয় লোকজন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জেলা প্রশাসককে অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগ মতে, ২০০৯ সালে স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশলী অধিদপ্তর হাটের উত্তর দিকে একটি শৌচাগার নির্মান করে দেন। সেই থেকে হাটে আসা লোকজন জরুরী প্রয়োজনে এটি ব্যবহার করে আসছেন। কিন্তু গত ২ মে হঠাৎ করে ফজল হক, নুর আলম, রমজান, মোকছেদ আলী সহ স্থানীয় কয়েকজন লোক শৌচাগারটি ভেঙ্গে ইট, রড ও কাঠ নিয়ে যান। এ সময় স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বাধা দিলে ভাঙ্গনকারী জানায় গয়াবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শরীফ-ইবনে ফয়সালের নির্দেশে শৌচাগারটি ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হাটের কয়েকজন দোকানদার জানায় চেয়ারম্যান সুকৌশলে শৌচাগারটি ভেঙ্গে ফেলে সেই জায়গাটি দোকান ঘর নির্মানের জন্য মোকছেদ নামে এক লোকের কাছে বিক্রী করেছেন। জায়গা বিক্রীর কথা অস্বীকার করে চেয়ারম্যান শরীফ-ইবনে ফয়সাল জানান শৌচাগারটি নষ্ট হয়ে যাওয়ায় তা ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে। এদিকে শৌচাগারটি ভেঙ্গে ফেলার পর থেকে হাটে আসা লোকজনকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। জরুরী প্রয়োজন সারতে বর্তমানে লোকজনকে ছুঁটতে হচ্ছে দুর-দুরান্তে বা আশপাশের বাসা বাড়ীতে। অনেকে আবার হাটের আশেপাশের নির্জন স্থানে প্রস্রাব-পায়খানা সেরে ফেলার কারণে চারিদিকে দুগন্ধ ছড়াচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ওই স্থানে দ্রত শৌচাগার নির্মানের দাবী জানিয়েছে ব্যবসায়ীরা।