• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৫ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

কর্মসূচির নামে বিএনপি নেতাদের ফটোসেশন

BNP Flagসিসিনিউজ: বরিশালে বিএনপির কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচি পালিত হচ্ছে না। নামকাওয়াস্তে ফটোসেশন করেই দায়িত্ব শেষ করছেন নেতারা। পদ-পদবি নিয়ে অসন্তোষ, পুলিশের অনমনীয় মনোভাব ও মামলার জালে বন্দী নেতা-কর্মীরা মাঠেই নামছেন না। বিশেষ করে সিনিয়র নেতারা উপস্থিত না থাকলে কোনো রকমের ফটোসেশন করেই দায়িত্ব শেষ করেন স্থানীয় নেতারা।
এদিকে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের এক শ্রেণির নেতা দলের কোনো ধরনের কর্মসূচিতে না থাকলেও দলীয় প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে ধরনা দিচ্ছেন কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহার, মামলা বিশেষ ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর এবং দেশে গুম-খুনের প্রতিবাদে গতকাল দেশব্যাপী বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশ ছিল। কিন্তু বরিশালে এই কর্মসূচি পালিত হয়েছে নামমাত্র।
বরিশাল কোতোয়ালি বিএনপি সদর উপজেলার চরকাউয়া এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করলেও তা ছিল ফটোসেশনে সীমাবদ্ধ। এই জেলার বানারীপাড়া ও উজিরপুরে বিক্ষোভের নামে সভা হয়েছে দলীয় কার্যালয়ে। এ ছাড়া দক্ষিণ জেলার বাবুগঞ্জ ও বাকেরগঞ্জে কোনো ধরনের কর্মসূচি পালিত হয়নি। বরিশাল দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম শাহিন এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, উপজেলার কর্মসূচিগুলোতে পুলিশ বাধা দেয়। এ ছাড়া মেহেন্দিগঞ্জ, হিজলা এবং মুলাদীতে বিক্ষোভের নামে সভা হয়েছে দলীয় কার্যালয়ে। গৌরনদী ও আগৈলঝাড়ায় কোনো কর্মসূচি পালিত হয়নি।
গৌরনদী উপজেলা বিএনপি সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সোবাহান স্থায়ীভাবে ঢাকায় বসবাস করেন। তিনি দলের স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় কোনো কর্মসূচিতেই থাকেন না বলে অভিযোগ কর্মীদের। গত শনিবার উত্তর জেলা বিএনপির মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি ভেঙে দেওয়ার দাবি জানিয়ে ৫০০ নেতা-কর্মীর স্বাক্ষরযুক্ত একটি আবেদন দলের মহাসচিবের কাছে জমা দিয়েছেন তিনি। ইঞ্জিনিয়ার সোবাহান জানান, উত্তর জেলা কমিটি মেয়াদোত্তীর্ণ ও সাংগঠনিকভাবে দুর্বল। তারা কখন কোথায় কর্মসূচি পালন করে, তা তারা জানেন না। তাই জেলার কোনো কর্মসূচিতে তিনি অংশগ্রহণ করেন না। তবে গতকাল গৌরনদীতে দলের কর্মসূচি পালিত না হওয়ার কথা স্বীকার করে ইঞ্জিনিয়ার সোবাহান বলেন, অসুস্থ থাকায় দলের কর্মসূচি পালন করতে পারেননি। উত্তর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান জানান, উত্তর জেলা কমিটি সাংগঠনিকভাবে যথেষ্ট শক্তিশালী। দলের স্থানীয় কিংবা কেন্দ্রীয় সব কর্মসূচি তার প্রমাণ। ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের আগে হরতাল-অবরোধসহ সব কর্মসূচিতে উত্তর জেলা তাদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছে। যারা এসব বলছে, তাদেরই বরং দলের কর্মসূচিতে দেখা যায় না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ