• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১৬ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

রংপুর মহানগরীর আইনশৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে : মেয়র

Rangpurসিসিনিউজ: রংপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র সরফুদ্দীন আহম্মেদ ঝন্টু অভিযোগ করেছেন, রংপুর মহানগরীর আইনশৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। প্রতিদিন খুন, হত্যা, অপহরণসহ চাঁদাবাজদের দৌরাত্মে জনজীবন দূর্বিসহ হয়ে উঠেছে। রংপুর সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা, কর্মচারিসহ নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদেরও কোনো নিরাপত্তা নেই। এ অবস্থায় নিজেদের নিরাপত্তা চেয়ে সরকারের কাছে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
রোববার দুপুরে সিটি অডিটোরিয়ামে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন ঝন্টু।
সিটি মেয়র বলেন, গত ২৩ মে রাত সাড়ে ৯টায় নগরীর সাতমাথা এলাকা থেকে কাউন্সিলর জাহাঙ্গীর আলম তোতাকে চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা অস্ত্রের মুখে অপহরণ করার চেষ্টা করে। এলাকাবাসীর প্রতিরোধে অপহরণকারীদের চেষ্টা ব্যর্থ হলেও এখন গোটা সিটি কর্পোরেশন নিরাপত্তাহীন হয়ে পড়েছে। আইন শৃংখলা বাহিনীর ব্যার্থতার কারণে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
মেয়র বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য জনপ্রতিনিধিদের ব্যক্তিগতভাবে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের অনুমতি দিতে হবে। নইলে নিরাপত্তার দাবি নিয়ে আমরা আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবো।
মেয়র বলেন, রংপুরে পুলিশের ঘুষ এখন ওপেন সিক্রেট। টাকা ছাড়া থানায় মামলা এমনকি জিডিও হয় না।
প্রসঙ্গত, ৩০নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জাহাঙ্গীর আলম তোতাকে গত ২৩ মে রাত সাড়ে ৯টায় মানিক নামের এক ব্যক্তি ফোন করে তার অবস্থান জানতে চায়। এ সময় তিনি সাতমাথা দানিজ রেস্টুরেন্টে থাকার কথা বলেন। কয়েক মিনিট পরেই চিহ্নিত সন্ত্রাসী, মানিক, শাহিন, জুয়েল, সুমন, ফরিদ, মজিবর, কাশেম, আঙ্গুর, জাকির জয়নাল মুন্সি হোটেলে প্রবেশ করে তাকে তুলে নেয়ার জন্য টানা হেচড়া করতে থাকে। এক পর্যায়ে মানিক ও জুয়েল আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন করে। স্থানীয়দের প্রতিরোধে তোতা রক্ষা পান। পরে সন্ত্রাসীরা তোতাকে অপহরণ করে লাশ গুম করার হুমকি দেয়। এ ঘটনায় মামলা করা হলেও কেউ গ্রেফতার হয়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ