• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩৬ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

‘মানবাধিকার কমিশনই লঙ্ঘন করেছে মানবাধিকার’

nhrc_41353ঢাকা : আইনি সহায়তা চেয়ে একজন ধর্ষিতার আবেদনে মানবাধিকার কমিশনের নির্লিপ্ততা মানবাধিকার লঙ্ঘনেরই শামিল বলে মনে করছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুল হালিম।

তিনি বলেছেন, এমন আচরণে নিজেই মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে মানবাধিকার রক্ষায় নিয়োজিত এই কমিশন।

ধর্ষিতা এক কিশোরীর মানবাধিকার রক্ষায় পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় মঙ্গলবার জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ও সেক্রেটারিকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়ে শীর্ষ নিউজ ডটকমকে তিনি এসব কথা বলেন।

তবে কেন এই কিশোরীকে আইনি সহায়তা দিতে কমিশন নির্লিপ্ত ছিল জানতে চাইলে হালিম জানান, ‘২০১০ সালে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্যক্তি বিশেষের দ্বারা সংঘটিত হত্যা, ধর্ষণ ও এসিড নিক্ষেপ মানবাধিকার লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে না। এটিকেই আমি কারণ মনে করছি।’

মানবাধিকার লঙ্ঘনের এই সংজ্ঞাকে সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক দাবি করে কমিশনকে এর কারণ ব্যাখ্যা করতে বলা হয়েছে নোটিশে। একইসঙ্গে তা সংশোধনেরও দাবি জানানো হয়েছে।

আইনজীবী আব্দুল হালিম বলেন, কমিশনের এই নীতি বা সংজ্ঞা সংবিধানের ৩২ ও ৩৯ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

এমনকি কমিশনের নীতিমালায় বর্ণিত ২(চ), ১২(১)ক এবং ১৯(চ) উপধারার পরিপন্থি।

সংবিধানের ৩২ অনুচ্ছেদে জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকাররক্ষণ বিষয়ে বলা হয়েছে-  ‘আইনানুযায়ী ব্যতীত জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতা হইতে কোনো ব্যক্তিকে বঞ্চিত করা যাইবে না।’

জানা যায়, গত বছরের ৩০ আগস্ট কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে সপ্তম শ্রেণির এক মাদরাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ করে স্থানীয় যুবক কবির।

ওই ঘটনার পরের দিন মামলা দায়ের করা হয়।

পরে দুই সপ্তাহের মধ্যে ধর্ষিতাকে বিয়ে করার শর্তে চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি নারী ও শিশু নির্যাতন ট্র্রাইব্যুনাল থেকে জামিন নেয় অভিযুক্ত।

কিন্তু ধর্ষণকারীর পরিবার প্রভাবশালী হওয়ায় আসামির জামিনের পর হুমকিতে এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয় ধর্ষিতার পরিবার।

আইনজীবী মনে করেন, ধর্ষিতা বা তার অভিভাবকের কোনো সম্মতি ছাড়াই বিয়ে করার শর্তে আসামিকে জামিন দেওয়ার মাধ্যমে মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ