দিনাজপুর প্রতিনিধি: বিরল পৌর শহরে এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যুকে ঘিরে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে এটি হত্যা না আত্মহত্যা ? এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা দায়ের হয়েছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসি সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকালে রুবিনা বেগম (২০) শয়ন ঘরের বর্গার সাথে ওড়না পেচিয়ে ফাঁস লাগালে স্বামী হাসমত দেখতে পেয়ে ওড়না কেটে রুবিনাকে নীচে নামায়। এরপর রুবিনার ভাবীকে চিৎকার করে ডেকে সন্তানদের দেখতে বলে রুবিনাকে দ্রুত বিরল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ডাক্তার রুবিনাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনার পর হতে রুবনার স্বামী হাসমত উধাও হয়ে যায়।
্পরে বিরল থানায় খবর দিলে খবে পেয়ে পুলিশ সংবাদ লাশ উদ্ধার করে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ (দিমেক) হাসপাতালে মর্গে ময়না তদন্তের জন্য প্রেরণ করে। এ ব্যাপারে থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় নানান গুঞ্জন চলছে। বিরল পৌরশহরের শংকরপুর মহল্লার নিহত রুবিনার পিতা মুনিস উদ্দীন সাংবাদিকদের জানান, তাঁর কন্যা রুবিনা বেগম (২০) এর সাথে রাণীপুকুর ইউপি’র জগতপুর গ্রামের রিয়াজ উদ্দীনের ছেলে হাসমত আলীর প্রায় ৪ বছর পূর্বে বিয়ে হয়। বিয়ের পর তাদের সংসারে ২টি সন্তানের জন্ম হয়। গত প্রায় ৬ মাস পূর্বে হাসমত আলী স্ত্রী রুবিনাকে নিয়ে জগতপুর হতে শংকরপুরে এসে বসবাস করতে চাইলে তিনি একটু জায়গা দেন এবং স্বামী-স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে তারা সেখানে বসবাস শুরু করে। এরপর হতে তাদের দুই স্বামী-স্ত্রীর মাঝে পারিবারিক কলহের জের ধরে প্রায়ই ঝগড়া বিবাদ লেগে থাকতো। পারিবারিক কলহের জেরে তাঁর মেয়েকে হত্যা করা হতে পারে বলে তিনি ধারণা করছেন।