• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৩৫ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

কুড়িগ্রামে প্রতারণার ফাঁদে বেকার যুবক-যুবতিরা

Protaronaখলিলুর রহমান, নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম): কুড়িগ্রামের উত্তর ধরলায় শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতির সংখ্যা দিন দিন বেড়ে যাওয়ায় হতাশায় জবিন-যাপন করছে তারা। কর্মসংস্থান নামের সোনার হরিণ আজ তাদের ধরা ছোঁয়ার বাইরে। আর্থ সামাজিকভাবে পিছিয়ে পড়া মঙ্গা কবলিত একটি জনপদ কুড়িগ্রাম জেলা। এ জেলায় কোনো শিল্প-কারখানা না থাকায় প্রকট প্রকট আকার ধারণ করেছে বেকার যুবক-যুবতির সংখ্যা। যে কোনো সরকারি বা বেসরকারি দপ্তরে শূন্য পদেরন জন্য আবেদন চাওয়া হলে সেখানে বিপুল পরিমান আবেদন জমা পড়ে। এছাড়া কোনো পদের জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা ৮ম শ্রেণি পাস চাওয়া হলে সেখানে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পাসের প্রার্থীদের আবেদনই জমা পড়ে অধিকাংশ। আর যেখানে উচ্চ মাধ্যমিক পাসের শিক্ষাগত যোগ্যতার আবেদন চাওয়া হয় সেখানে গ্রাজুযেট এমন কি মাস্টার্স ডিগ্রিধারীরা আবেদন করে। ফলে এসব বেকাররা বিভিন্ন অফিসে আবেদন করার জন্য ঘোরাঘুরি  করে পায়ের জুতা ক্ষয় করলেও জীবন চলার জন্য সামান্য একটা চাকরির সন্ধানও মিলছে না তাদের। তারপরও এসব চাকরির সন্ধানে ঘুরে-ফিরতে ব্যাংক ড্রাফট্, চালান খরচ, যাতায়াতসহ আনুসঙ্গিক খরচ করতে লাগছে প্রচুর টাকা। অনেকে পারিবারিকভাবে সহযোগিতা না পাওয়ায় আবেদন করাই বন্ধ করে দিয়েছে। এখন তারা হয়েছে পারবারের বোঝা। বিভিন্ন প্রকার কটু কথা, গাল-মন্দ আর তিরস্কারকে পুরস্কার হিসেবে গ্রহণ করে আতœহত্যার মতো জঘন্য পথটাও বেছে নিতে কুণ্ঠাবোধ করছে না তারা। এ সুযোগে একটা ভালো চাকরির লোভ দেখিয়ে মোটা অঙ্কের অর্থ নিয়ে নিজের ফায়দা লুটে নিচ্ছে অসাধু ব্যবসায়ীরা। অনুসন্ধানে জানা যায়, অনেকে তাদের ভিটে বাড়ি এমনকি শেষ সম্বলটুকু পর্যন্ত বিক্রি করে চাকরি নামের সোনার হরিণটাকে ধরার জন্য অর্থ তুলে দিচ্ছে সেসব অসাধু ব্যাবসায়ীর হাতে।  সে ক্ষেত্রে অধিকাংশ পরিবারই প্রতারণার ফাঁদে আটকা পড়ে সহায়-সম্বল হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছে। ফলে এসব যুবক-যুবতিদের অনেকেই কোনো চাকরি বা কর্মসংস্থান পেয়ে জীবিকা নির্বাহের তাগিদে অন্যায় কাজে লিপ্ত হচ্ছে। এমনকি অনেকে তাদের অভিশপ্ত জীবনে হতাশাগ্রস্ত হয়ে নানা প্রকার নেশায় আসক্ত হয়ে পবিত্র জীবনটাকে ভাসিয়ে দিচ্ছে এক গড্ডলিকাস্রোতে। বিগত আওয়ামী লীগের সরকার প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ  কুড়িগ্রাম, গোপালগঞ্জ ও বরগুনা জেলায় ন্যাশনার সার্ভিস কর্মসূচীর আওতায় বেকার যুবক-যুবতিদের ২বছর মেয়াদি চাকরি দিলেও মেয়াদ শেষ হওয়ায় বেকারত্বের ঘানি টানতে টানতে তারা এখন মানবেতর জীবন-যাপন করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ