• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৬ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

রাজারহাটে মুরগীর খামার বন্ধের পাঁয়তারা

Khamarরফিকুল ইসলাম, রাজারহাট (কুড়িগ্রাম): কুড়িগ্রামের রাজারহাটে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে ব্রয়লার মুরগীর খামারের দূর্গন্ধে পরিবেশ দুষণের অভিযোগ এনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার সদর ইউপি’র দক্ষিণ প্রাণপতি গ্রামে। ওই গ্রামের হুরমুজ আলীর দাঙ্গাবাজ পুত্র মো. হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী খয়ের উল্লার পুত্র ব্রয়লার মুরগীর খামার ব্যবসায়ী মো. মহিম উদ্দিন (৩০) এর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, মহিম উদ্দিনকে হেনস্তা ও মুরগীর খামার বন্ধ করতে কিছু ভূয়া নাম স্বাক্ষর দেখিয়ে রাজারহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অভিযোগ করার কথা শুনেছি। বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে এলাকাবাসী নাম প্রকাশ না করার শর্তে এ প্রতিবেদকে জানিয়েছে। মহিম উদ্দিন জানান, গত ৪ মাস পূর্বে কুড়িগ্রাম কর্ম সংস্থান ব্যাংক হতে ব্রয়লার মুরগীর খামার করার জন্য ৭৫ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে খামার শুরু করেছি এবং ৪ মাসে খামারে বেশ সুফল পাওয়া শুরু করেছেন তিনি। বিষয়টি আমার প্রতিপক্ষরা হিংসাত্মক মনোভাব দেখিয়ে খামারটি বন্ধের পাঁয়তারা চালিয়ে আসছে। এলাকাবাসীর যেসব নাম দেয়া হয়েছে তাও ভূয়া। ব্রয়লারের খামার নিয়ে এলাকাবাসীর কোন অভিযোগ নেই এবং সম্প্রতি হুমায়ুন কবীর আমার বাঁশ ঝাড়ের ৬টি বাঁশ জোরপূর্বক কেটে নেয়ার অভিযোগ করেন তিনি। এ বিষয়ে রাজারহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সাজেদুর রহমান জানান, অভিযোগটি পেয়েছি, তদন্তের জন্য স্যানিটারী ইন্সপেক্টরকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। স্যানিটারী ইন্সপেক্টর মো. আব্দুল লতিফের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, আসলে পরিবেশ দুষণের বিষয়টি সঠিক নয়। পূর্ব থেকে তাদের দু’পরিবারের মধ্যে বিবাদ চলে আসছে বলে তদন্তে বেড়িয়ে এসেছে। অভিযোগকারী হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে একাধিকবার তার মুঠোফোনে যোগাযোগ করেও তাকে পাওয়া যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ