একলাছুর রহমান, বিরামপুর: দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট এস.এম মনিরুজ্জামান আল-মাসউদের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে থেকে রক্ষা পেল মৌসুমী (১২)। সে উপজেলার দুর্গাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণীর ছাত্রী ও দুর্গাপুর গ্রামের মদন কর্মকারের মেয়ে। বৃহস্পতিবার রাত ১২ টায় মৌসুমীর বিয়ের লগ্ন ছিল। এর আগে বাল্য বিয়ে বন্ধে সচেতনতা কার্যক্রমে নিয়োজিত এনজিও ডেভেলপ দ্যা ভিলেজ (ডিভি)র নির্বাহী পরিচালক মোরশেদ মানিক সহযোগি আরেকটি এনজিও প্রতিনিধিকে সাথে নিয়ে মৌসুমীর পরিবারকে বাল্য বিয়ের কুফল সম্পর্কে অবগত করে বিয়ে বন্ধের অনুরোধ জানান। মৌসুমীর পিতা মদন কর্মকার বাল্য বিয়ের বিষয়ে অনড় অবস্থান নিলে তারা বিষয়টি বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবগত করেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট এস.এম মনিরুজ্জামান আল-মাসউদ তাৎক্ষনিক ভাবে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মমিনুল ইসলামকে জরুরী ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেন। থানার এস.আই শামছুল আলম সঙ্গিয় ফোর্স সহ বিয়ের কার্যক্রম বন্ধ করে মৌসুমীর পিতা মদন কর্মকারকে আটক করে।
ভ্রাম্যমান আদালতের বিজ্ঞ বিচারক বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট এস.এম মনিরুজ্জামান আল-মাসউদ বাল্য বিয়ে দিবে না লিখিত মুচলেকা নিয়ে মদন কর্মকারের এক হাজার টাকা অর্থদন্ড করেন।