• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫৫ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

উলিপুরে ইউপি চেয়ারম্যানের ওকালতিতে বাল্যবিবাহ

Biaউলিপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের উলিপুরে হাতিয়া ইউপি চেয়ারম্যান বি এম আবুল হোসেন মোট অংকের উৎকোচ গ্রহণ করে ঐ ইউনিয়নের মুন্সিপাড়া রহমানিয়া বালিকা দাখিল মাদ্রাসার দশম শ্রেণীর ছাত্রী শান্তনা খাতুনকে বাল্য বিবাহে আবদ্ধ করেছে।
জানা গেছে, উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়নের বকসীপাড়া গ্রামের দরিদ্র কৃষক ফজলুল হক এর দশম শ্রেণী পড়ুয়া ছাত্রী শান্তনা খাতুনকে স্থানীয় লম্পট ও বখাটে মমিনুল ইসলাম(৩২) প্রেমের প্রস্তাব দেয়। উক্ত লম্পট মমিনুলের কু-প্রস্তাব তার পিতা মাতাকে অবগত করলে উক্ত শান্তনাকে ঐ ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের মদদে মোটর সাইকেল যোগে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। উক্ত চেয়ারম্যান বিষয়টি সম্পূর্ণ জানার পর মাদ্রাসা কর্র্তৃপক্ষ কিংবা তার অভিভাবককে না জানিয়ে মোটা অংকের উৎকোচের বিনিময়ে উক্ত ইউনিয়ন পরিষদের ভবনে বসে ইউনিয়ন সচিব হারুন অর রশিদকে ম্যানেজ করে ভূয়া জন্ম সনদ সৃষ্টি করে। উক্ত ভূয়া জন্ম সনদে ২০/১১/১৯৯৪ইং জন্ম তারিখ দেখিয়ে কুড়িগ্রাম নোটারী পাবলিকে এফিডেভিট সৃষ্টি করিয়াছে অপরদিকে মুন্সিপাড়া রহমানিয়া মাদ্রাসার ভর্তি বহিতে ০১/১২/১৯৯৮ইং বলে সুপার জানান। শান্তনার বাবা অভিযোগ করে বলেন লক্ষাধিক টাকার বিনিময়ে ঐ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জন্ম নিবন্ধন সনদ প্রদান করেছে। যাহার নং- ১৯৯৪৪৯১৯৪৬১০২৩১৭০ ইস্যুর তারিখ ০১/০৫/২০১৪ইং। এদিকে উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে শান্তনার বাবা বাদী হয়ে উলিপুর থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন। মামলা নং- ২৯। উক্ত শান্তনার মা জানান হাতিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তার ভাড়াটে লোকজন দিয়ে আমার নাবালিকা মেয়েকে অপহরণ করে নিয়ে গিয়ে বিবাহ সম্পন্ন করিয়াছে। উক্ত বাল্য বিবাহ থেকে প্রতিকারের জন্য আমি দেশের সকল মানবাধিকার সংগঠন সহ আইনী হস্তক্ষেপ কামনা করছি। আমার মেয়েকে আমার নিকট ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য। এ ব্যাপারে মুন্সিপাড়া রহমানিয়া মাদ্রাসার সুপার মোঃ আঃ কাইয়ুম জানান মেয়েটি অত্যান্ত মেধাবী ছাত্রী । একজন মেধাবী ছাত্রীকে বাল্যবিবাহ দেওয়া কখনই ঠিক হয়নি। উক্ত বাল্য বিবাহ প্রসঙ্গে উপজেরা নির্বাহী ড. মোহাম্মদ মুনসুর আলম খান জানান বাল্য বিবাহ কখনই মেনে নেওয়া যায় না। যেহতেু সে মেধাবী ছাত্রী সেই হেতু বিষয়টি আমি নিন্দা জ্ঞাপন করছি এবং যদি ঐ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এমন ধরনের ভূয়া জন্ম নিবন্ধন সনদ প্রদান করে থাকেন সেটি ফৌজদারী দন্ডের শামিল। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেব। উক্ত মামলার তদন্তকারী অফিসার এস আই হাবিবুর রহমান কে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করেও তাকে পাওয়া যায় নাই। এ ব্যাপারে হাতিয়া ইউপি চেয়ারম্যান বি এম আবুল হোসেন এর সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলার চেষ্টা করা হলে তিনি মোবাইল ফোন রিসিভ করেন নাই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ