খেলাধুলা ডেস্ক: বন্ধুর খারাপ দিনে আরেক বন্ধু প্রার্থনা করেছিলেন, ‘তাড়াতাড়ি সেরে ওঠো বন্ধু’। এবার সেই বন্ধু চাইছেন, ফাইনালে যেন তার বন্ধুই জয়লাভ করে।
মেসি যখন বার্সার হয়ে প্রথম খেলা শুরু করেন, তখন তাকে আগলে রাখেন রোনালদিনহো। বড় ভাইয়ের মতো। মেসির প্রায় সবকিছুই তিনি দেখাশোনা করতেন।
এবার মেসির দেখাশোনা করার পালা। নেইমার বার্সায় পা রাখতেই অনেকে বলেছিলেন মেসির সঙ্গে তার পড়বে না। দুই জন প্রায় একই পজিশনের খেলোয়াড় হওয়ায় মতভেদ দেখা দিতে পারে। তাছাড়া সেই চিরকালীন পেলে-ম্যারাডোনা ভাবটাও আসতে পারে তাদের ভেতর।
কিন্তু সেই শঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে মেসি-নেইমার ঘরে বেঁধেছেন বার্সেলোনায়। সুখের ঘর। তাদের ভেতর কত মিল, তা বোঝা যায় এই বিশ্বকাপে তাকালে। নেইমার ইনজুরিতে পড়লে মেসি তার খোঁজ নিয়েছেন। এবার নেইমারের দল বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলেও তিনি চাইছেন আর্জেন্টিনা যেন জয়লাভ করে। শুনুন নেইমারের মুখেই, ‘আর্জেন্টিনায় আমার দুই বন্ধু(মাসচেরানো, মেসি) খেলে। আমি আশা করব জয়টা যেন তাদেরই হয়।’
নেইমারের এই চাওয়া শুধুই কি আশা, নাকি জার্মানদের প্রতি মনের গহীনে জমে থাকা এক ক্ষোভ, নাকি বন্ধুর প্রতি ভালোবাসা?