সিসিনিউজ : আজ সোমবার দুপুর ১২টায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব চত্বরে ক্রিকেট প্রেমি সচেতন সমাজ, চট্টগ্রাম এর উদ্যোগে বিশ্বনন্দিত ও জাতীয় ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানের শাস্তি প্রত্যাহারের দাবিতে ক্রিকেট প্রেমি সচেতন সমাজ-চট্টগ্রাম এর সমন্বয়ক নোমান উল্লাহ বাহারের সভাপতিত্বে এক মানববন্ধন ও গনজমায়েত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এতে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ ক্রীড়া উন্নয়ন পরিষদ চট্টগ্রাম এর সভাপতি এম.এ হাসেম রাজু, চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক ফরিদ মাহমুদ, চট্টগ্রামের প্রাক্তন ক্রিকেটার আতিক খান, সান এনার্জি লি. এর সিইও সুফিক আনোয়ার, চট্টগ্রাম নাগরিক অধিকার বাস্তবায়ন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক দিদার আশরাফী, আমরা চাঁটগাবাসির সাধারণ সম্পাদক লায়ন এবিএম এমরান, সাংবাদিক সৈয়দ শিবলী সাদিক কফিল, তারুণ্য বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান শাওন, চাঁদের হাট চট্টগ্রামের সভাপতি ইফতেকার উদ্দিন জাবেদ, ক্রীড়া সংগঠক মোহাম্মদ মাসুদ ফারভেজ, আদিল আহমেদ কবির, চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সদস্য বোরহান উদ্দিন গিফারী, কায়েস চৌধুরী, প্রকৌশলী এসকে তুহিন প্রমুখ।
সভায় বক্তারা বলেন, বিশ্বনন্দিত ও জাতীয় ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান বাংলাদেশের গর্ব। সম্প্রতি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এই মাঠ কাঁপানো খেলোয়াড়কে কথিত চক্রান্তের ফাঁদে পড়ে দীর্গ মেয়াদী সময়ের জন্য অযোক্তিক শাস্তি ঘোষনা করেছে। যা দেশের ক্রিকেট প্রেমিসহ সর্বস্থরের জনগোষ্টির কাছে অপ্রত্যাশিত ও বেদনাদায়ক। একজন খেলোয়াড় ছয়মাস ও বিদেশে কোন লিগে ১৮ মাস খেলার মাঠে অনুপস্থিত থাকলে পরবর্তিতে খেলাগুলোতে পারফরম্যান্স দেখাতে পারবেনা। এতে বাংলাদেশেরই ভাবমূর্তি বিনষ্ট হবে। নানামূখী চক্রান্তের ফাঁদে পড়ে সাকিব আল হাসানের বিরুদ্ধে ঘোষিত শাস্তি অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে। অন্যথাই বাংলাদেশের ক্রিকেট প্রেমি সর্বস্থরের জনসাধারণ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে গণ আন্দোলন গড়ে তুলবে।
সাকিব আল হাসান বাংলাদেশের হয়ে বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন দেশের সাথে যে খেলা গুলো খেলেছেন, সেখানে তার ভূমিকা ছিল অনন্য সাধারণ ও অকল্পণীয়। আমরা জানতে চাই কোন আইনের ধারা ও উপধারা মোতাবেক এই অপ্রত্যাশিত, অযৌক্তিক ও অগ্রহণযোগ্য শাস্তির মাত্রা নির্ধারণ হয়েছে। বাংলাদেশের ক্রিকেটকে আর একধাফ এগিয়ে নিতে ও ক্রিকেটের চলমান সফলতা ধরে রাখতে সাকিব আল হাসানকে মাঠে ফিরিয়ে আনা হোক। বাংলাদেশের সম্মান সমূজ্জ্বল করতে সাকিব আল হাসানের বিকল্প নেই। বক্তারা এ বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেন।