ঢাকা : পল্লী বিদ্যুতের চুক্তিভিত্তিক ২০ হাজার মিটার রিডার ও ম্যাসেঞ্জারদের চাকরি স্থায়ী করার দাবি জানিয়েছে পল্লী বিদ্যুৎ চুক্তিভিত্তিক মিটার রিডার ও ম্যাসেঞ্জার ঐক্য পরিষদ।
বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান সংগঠনের নেতারা।
সংগঠনের সভাপতি জিয়া উদ্দিন বাবলু বলেন, বাংলাদেশের ৭৩ টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে প্রায় ২০ হাজার মিটার রিডার ও ম্যাসেঞ্জার দীর্ঘদিন চুক্তিভিত্তিক পদে কর্মরত রয়েছেন। কিন্তু আমাদের ন্যায্য পাওনা দেওয়া হয়না। পল্লী বিদ্যুৎ কাগজ-কলমে আমাদের বেতন দেখানো হয় ৭ হাজার টাকা, কিন্তু আমাদের দেওয়া হয় ৫ হাজার টাকা।
জিয়া উদ্দিন বাবলু অভিযোগ করে বলেন, আমাদের ওপর অমানবিক আচরণ করা হয়। দিনরাত পরিশ্রমের পরও আমাদের চাকুরি থেকে হঠাৎ করেই বাদ দেয়া হয়।
তিনি বলেন, বর্তমানে একজন স্থায়ী ম্যাসেঞ্জারের বেতন চুক্তিভিত্তিক মিটার রিডার ও ম্যাসেঞ্জারের বেতনের দ্বিগুন হলেও কাজের পরিমাণ একই। কর্মরত অবস্থায় মিটার রিডার ও ম্যাসেঞ্জার নিহত বা আহত হলে তাদের কোনো প্রকার আর্থিক সহায়তা করা হয় না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
বক্তারা বলেন, পল্লী বিদ্যুতের প্রায় ৬০ শতাংশ কর্মচারী হলো মিটার রিডার ও ম্যাসেঞ্জার। চাকরির শুরুতে ২ হাজার টাকা জামানত রাখা হয়। চাকরির মেয়াদ ৩ বছর পার হলে ৫ হাজার টাকা জামানত রাখা হয়। যদি কোনো কারণে চাকরিচ্যুত করা হয় তবে জামানতের টাকা ফেরত দেওয়া হয় না।
বাংলাদেশের শ্রম আইন মোতাবেক চলতি বছরের ৩১ আগস্টের মধ্যে আমাদের দাবি না মানা হলে ১ সেপ্টেম্বরের আমাদের কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের নেতা মোজাহিদুল ইসলাম, মো. সালাউদ্দিন লাভলু, মো. পলাশ, নওশিন, আজাদ, মো. ওবায়দুল প্রমুখ।