• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৪৪ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

নির্বাচন কমিশনারদের বছরে চিকিৎসা খরচ ২৭ লাখ টাকা

ECসিসিনিউজ: ২০১৩-১৪ অর্থ বছরে সাবেক নির্বাচন কমিশনারদের চিকিৎসা খরচ বাবদ নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) গুনতে হয়েছে ২৭ লাখ ৯ হাজার ২৭২ টাকা। এতে কমিশনারদের চিকিৎসা ভাতা বরাদ্দের অতিরিক্ত ১৪ লাখ টাকা বেশি খরচ হয়েছে ইসি’র। ইসি সচিবালয় থেকে এ তথ্য জানা যায়।

সূত্র জানায়, সাবেক কমিশনারদের চাহিদা অনুযায়ী কমিশন এ অর্থ পরিশোধ করে। গত অর্থ বছরে কমিশারদের চিকিৎসা খাতে বরাদ্দ অর্থের পরিমাণ ছিল ১৩ লাখ টাকা। কিন্তু চাহিদা অনুযায়ী বিল পরিশোধ করতে গিয়ে কমিশনকে এ বছর গুণতে হয়েছে ২৭ লাখ টাকা।

তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থ বছরে সাবেক কমিশনারদের মধ্যে মুনসেফ আলী নিয়েছেন ২ লাখ ৪৬ হাজার ১৮২ টাকা। আবু হেনা দু’দফায় চিকিৎসা বিল উত্তোলন করেছেন ১ লাখ ৯৬ হাজার ৬৪৬ টাকা। এটিএম শামছুল হুদা তিন দফায় নিয়েছেন ১ লাখ ৪৫ হাজার ১১১ টাকা। এছাড়া অন্যান্য কমিশনারেরা নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসা বিল উত্তোলন করেছেন।

ইসির সমন্বয় শাখার একজন কর্মকর্তা জানান, ‘সাবেক নির্বাচন কমিশনারেরা হাইকোর্টের বিচারপতিদের প্রাধিকার বিধিমালা অনুযায়ী আজীবন চিকিৎসা ভাতা ভোগ করছেন। এ সুবিধা ভোগ কমিশনের কোনো আইন অনুযায়ী নয়।’

সূত্র আরও জানায়, সাবেক কমিশনারদের এ বিল উত্তোলনে কোন প্রকার যাচাই-বাচাই করা হয় না। এই বিল অনুমোদনেরও প্রয়োজন হয় না। ইসির সমন্বয় শাখায় হাসপাতাল বা ফার্মেসির ক্যাশ মেমো জমা দিলেই অর্থ শাখা তা পরিশোধ করে দেয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ইসির একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, সাবেক এ কমিশনারেরা নিজেদের পাশাপাশি স্ত্রী-সন্তানদের চিকিৎসা বিলও নিজ নামে উত্তোলন করে থাকেন। কোন সময়সীমা নির্ধারিত না থাকায় যে কোন সময় তারা বিল জমা দিতে পারেন। অনেকে এক মাসে দুই থেকে তিনবার বিল নেয়ার রেকর্ডও সৃষ্টি করেছেন।

উৎসঃ   শীর্ষনিউজ


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ