সিসিনিউজ: নীলফামারীর ডিমলায় উপজেলা পরিষদের লক্ষাধিক টাকা মূল্যের একটি গাছ বৃহস্পতিবার সকালে কর্তন করা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে নিলাম ছাড়াই গোপনে গাছটি বিক্রির উদ্দেশে কর্তন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের অফিস সহকারী আবদুল হামিদ।
জানা গেছে, সম্প্রতি কালবৈশাখী ঝড়ে উপজেলা পরিষদের বেশ কয়েকটি মেহগনি ও শিশু গাছের ডালপালা ভেঙ্গে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। গত ১৭ মার্চ উপজেলা পরিষদের এক সভায় ক্ষতিগ্রস্থ গাছগুলো হেফাজতে রেখে নিলামে বিক্রয় করার নিমিত্তে মুল্য নির্ধারণ কমিটির নিকট মুল্য নির্ধারণ প্রতিবেদন নেয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। কিন্তু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিস সহকারী আব্দুল হামিদ নিলাম ও মুল্য নির্ধারণ কমিটির সিদ্ধান্ত ছাড়াই গোপনে বিক্রি করার উদ্দেশ্যে বৃহস্পতিবার ক্ষতিগ্রস্থ কয়েকটি গাছের মধ্যে সবচেয়ে বড় শিশু গাছটি কর্তন করেন। যার আনুমানিক বাজার মুল্য প্রায় ১ লক্ষ টাকা বলে জানা গেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উপজেলা পরিষদের একাধিক কর্মকর্তা -কর্মচারী বলেন, ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পদটি বর্তমানে শূন্য থাকার সুযোগে গাছটি কর্তন করা হয়েছে। অফিস সহকারী আবদুল হামিদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি গাছ কর্তনের কোন অফিসিয়াল কাগজ পত্র দেখাতে পারেনি। তবে তিনি বলেন, শিশু গাছটি বিপদজনক অবস্থায় থাকায় গাছটি কর্তন করেছি। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা ডোমার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শফিউল রহমান জানান. উপজেলা পরিষদের গাছ কর্তনের বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না বা কেউ তাকে জানায় নি।