আতাউর রহমান, রাজিবপুর (কুড়িগ্রাম): কুড়িগ্রামের ব্রহ্মপুত্র নদ পার হতে রাজিবপুরে ইঞ্জিন চালিত স্যালো নৌকার ভাড়া হঠাৎ করেই ২০ টাকা বৃদ্ধি করেছে কর্তৃপক্ষ। এনিয়ে প্রতিদিন যাত্রীদের সাথে নৌকা মালিকের বচসা হলেও কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিরসনে কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না
সূত্রমতে, গত ৫ বছরে ৩/৪ বার নৌকা ভাড়া বৃদ্ধি করা হয়েছিল। তবে তখন দ্রব্যমুল্য ও তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় যাত্রীরা তেমন কোন অভিযোগ করেনি। সে সময় ২০ টাকা থেকে পর্যায় ক্রমে ৫০ টাকা ভাড়া বৃদ্ধি করা হয়েছিল। তবে চলতি অর্থ বছরে যাত্রী প্রতি ভাড়া ২০ টাকা বৃদ্ধি করে করা হয়েছে ৭০ টাকা। ভাড়া বৃদ্ধি করা হলেও ঘাটে কোন তালিকা টানানো হয়নি। তাছাড়া ঘাটে থেকে টিকিট না দিয়ে নদীর মাঝ পথে ভাড়া তোলা হয়। তখন শুরু হয় বিতর্ক ও হাতাহাতির ঘটনা। সাধারন যাত্রীরা ভয়ে ভাড়া দিলেও অনেকে অতিরিক্ত ভাড়া দিতে রাজি নয়। তাদেরকে নৌকা ঘাটে পৌঁছামাত্রই এলাকার মাস্তান দিয়ে ভয় দেখিয়ে ভাড়া আদায় করে নেওয়া হয়। এ রকম ঘটনা ঘটছে কুড়িগ্রামের রৌমারী ও চিলমারীর ঘাটেও। কয়েকজন নৌকা মালিক জানায়, গত বারের তুলনায় এ বছর ঘাটের ইজারা হয়েছে ৩ গুন। গত বছর যেখানে ঘাটের ডাক ছিল ২৩ লক্ষ টাকা তা বৃদ্ধি পেয়েছে ৫১ লক্ষ টাকায়। সূত্র আরও জানান, আজিজুর রহমান নামের এক রাজনৈতিক ব্যক্তির নামে রাজিবপুর, রৌমারী ও চিলমারীর নৌকা ঘাট ইজারা হলেও তা পরিচালনা করেন তার এক নিকট আত্মীয় শাহজাহান মন্ডল। তিনি ইচ্ছেমত এ ভাড়া বৃদ্ধি করেছেন।
শাহজাহান মন্ডলের সাথে মোবাইল ফোনে কথা বল্লে তিনি জানান, সচিবের সাথে কথা বলে ভাড়া বৃদ্ধি করা হয়েছে। তাছাড়া সব কিছুর দাম বেড়েছে , তাই আমরাও বাড়া বৃদ্ধি করেছি।
এ ব্যাপারে রাজিবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ খানের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, প্রতিদিন ভাড়া বেশী নিচেছ বলে অভিযোগ পাচিছ, আমি ইজারাদারকে বলেছি আলোচনা করতে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সাড়া পাওয়া যায়নি।