মাহবুবুল হক খান, দিনাজপুর: ঈদকে সামনে রেখে দিনাজপুর শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে চুরি. ছিনতাই, রাহাজানী ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ড বৃদ্ধি পেয়েছে। উঠতি বয়সের যুবকরা এই ছিনতাই ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ড ঘটাচ্ছে। প্রশাসনের নিষ্কিৃয়তার কারণে এসব কর্মকান্ড ঘটছে বলে অভিজ্ঞ মহল মনে করেন।
ছিনতাইকারীরা অভিজাত শ্রেণীদের সন্তান। এরা ছিনতাইয়ের সময় দামী মোটরসাইকেল ব্যবহার করে। এদের পায়ে দুই থেকে তিন হাজার টাকা দামের কেডস্। মূলত এই যুবকরা সবাই নেশাগ্রস্থ ও মাদকসেবী। নেশার টাকা জোগাড় করতেই তারা এহেন কান্ড ঘটায়।
গত শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বালুবাড়ী থেকে রেলবাজার হাট যাওয়ার লিংকরোডে দু’জন মোটরসাইকেল আরোহী একটি অটোবাইকের গতিরোধ করে অটোবাইক চালক ভুট্টু মিয়ার নিকট ৪৫০ টাকা ও একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। গত শনিবার নিউমার্কেটের নিকট বকুলতলা মোড়ে রাত ৮ টায় একদল যুবক মেয়েদের রিক্সা আটক করে মোবাইল ফোন ও ঈদের জন্য কেনা নতুন জামাকাপড় শাড়ী ও টাকা পয়সা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। ছিনতাইকারী এসব যুবকরা ছিনতাইয়ের সময় ছোট চাকু ব্যবহার করে।
অন্যদিকে ওই দিন রাত ৯টায় রামনগরের মদিনা মসজিদ থেকে মাজাডাঙ্গা ব্রীজে যাওয়ার পথে কয়েকজন রিক্সাযাত্রী ছিনতাইয়ের কবলে পড়ে। এ সময় ছিনতাইকারীরা টাকা মোবাইল ফোন ও দামী কাপড়-চোপড়সহ অন্যান্য মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে যায়। এছাড়া শহরের প্রবেশপথ কাঞ্চন ব্রীজ, মাজাডাঙ্গা ব্রীজ, সরকারি কলেজের সামনে, মিশনরোড, রেল স্টেশন চত্তর ও শহরের বিভিন্ন অলিতে গলিতে অহরহ ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটছে। পুলিশি টহল বৃদ্ধি পেলে দিনাজপুরে ছিনতাই ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ড বন্ধ হবে, শান্তি ফিরে আসবে এমনটাই প্রত্যাশা দিনাজপুরবাসীর।