• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩২ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

শকওয়েভ লিথোট্রিপসি বা স্টোন ক্র্যাশ

shockস্বাস্থ্য ডেস্ক: পিত্তথলী, কিডনী বা মূত্রথলীতে পাথর থাকলে সেটা নানা রকম সমস্যার জন্ম দিতে পারে। পাথরের কারণে প্রচন্ড ব্যথা হতে পারে, সংক্রামণ হয়ে নানা জটিলতা দেখা দিতে পারে। এ কারণে পাথর ধরা পড়লে চিকিৎসকগণ সেটা দ্রুত অপসারণের ওপর জোর দেন। পাথর অপসারণের জন্য শল্য চিকিৎসায় নানা জটিলতার আশংকা থাকে আর রোগীর সেরে উঠতেও বেশ সময় লাগে। এজন্য অপারেশন ছাড়াই পাথর অপসারণের চেষ্টা করা হয়।

কিডনী বা মূত্রথলীতে পাথর  থাকলে প্রথমে বিভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে সেটির আকার ও অবস্থান নির্ণয় করা হয়। পাথর ছোট হলে বেশি পরিমাণে পানি খেলেই পাথর বেরিয়ে যায়। কিন্তু বড় হলে ব্যবস্থা নেয়ার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়।

কখন শকওয়েভ লিথোট্রিপসি করা যায়?

পাথরের আকার ৪ মিলিমিটার থেকে ২ সেন্টিমিটারের মধ্যে হলে শকওয়েভ লিথোট্রিপসির মাধ্যমে বাইরে থেকেই পাথর ভেঙে ফেলা সম্ভব। এরপর স্বাভাবিক প্রক্রিয়াতেই পাথর বেরিয়ে আসতে পারে।

তবে পাথরের আকার আরও বড় হলে এ পদ্ধতি প্রয়োগ করা যায় না। কারণ শকওয়েভ লিথোট্রিপসি এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় শক্তি প্রয়োগ করতে পারে না।

প্রক্রিয়া

উচ্চ ভোল্টেজের বৈদ্যুতিক স্ফুলিঙ্গের মাধ্যমে শকওয়েভ তৈরি করে কিডনী পাথরের দিকে ফোকাস করা হয়। শকওয়েভ কেবল পাথর ভেঙ্গে ফেল শরীরের ক্ষতি করে না।

ভেঙে ফেলা পাথর বের হয়ে আসার সুবিধার জন্য অনেক সময় প্লাস্টিকের নলও প্রবেশ করানো হয়, যা পরে অপসারণ করা হয়।  এ সময় সিডেটিভ বা লোকাল এনেসথেশিয়া দেয়া হতে পারে।  কোন জটিলতা দেখা না দিলে রোগী একই দিনে হাসপাতাল ত্যাগ করতে পারেন। তবে অনেক সময় পাথর পুরোপুরি অপসারণের জন্য কয়েক দফা স্টোন ক্র্যাশ করতে হয়।

পাথরের গুঁড়ো বেরিয়ে যাওয়ার সময় ব্যথা হতে পারে, রক্তও নির্গত হতে পারে। এটা স্বাভাবিক এবং কয়েকদিন পর ঠিক হয়ে যায়।

সতর্কতা

অতিরিক্ত ওজন, হাড়ে সমস্যা বা রক্তক্ষরণ জনিত সমস্যা থাকলে এ পদ্ধতি প্রয়োগ করা যায় না। পেস মেকার থাকলে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হয় এবং স্টোন ক্রাশের সময় একজন হৃদরোগ বিশষজ্ঞের উপস্থিতি জরুরি। গর্ভবতী অবস্থায় স্টোন করা করা যায় না। প্রাপ্তবয়স্ক মহিলাদের স্টোন ক্র্যাশের আগে গর্ভবতী কিনা সেটা পরীক্ষা করে নিতে হয়।

প্রস্তুতি

স্টোন ক্র্যাশের আগে যেসব পরীক্ষা করা হয় সেসব পরীক্ষার রিপোর্ট স্টোন ক্র্যাশের দিনও নিয়ে যেতে হয়। আগের রাতে কিছু ওষুধ সেবন করতে বলা হয়। সূতি কাপড় পড়ে খালি পেটে যেতে হয়। এ সময় ধাতব গয়না পরা উচিত নয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ