• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩৫ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

নতুন নোট কম ছাপিয়ে সংকটে বাংলাদেশ ব্যাংক

Takaঢাকা : নতুন টাকা নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকে চলছে তুঘলকি কারবার। চাহিদার চেয়ে কম ছাপানোয় দুই, পাঁচ এবং দশ টাকার নতুন নোটের সংকটে পড়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ফলে প্রতিদিন নতুন করে ছাঁপাতে হচ্ছে চাহিদার নোটগুলো। এতে বাড়ছে পরিবহন, প্রটোকল ও লেবার খরচ।

ঈদ উপলক্ষে সাধারণত ২, ৫ এবং ১০ টাকার নতুন নোটের চাহিদা বেশি থাকে। তবে গতবারের চেয়ে এবার এই নোটগুলোর বাজার চাহিদার চেয়ে চার ভাগের এক ভাগ ছাপানো হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কারেন্সি অফিসার (মহাব্যবস্থাপক) ইসরাইল হোসেন জোয়ারদারকে এজন্য দায়ী করা হচ্ছে। নতুন নোটের জন্য এবছর তিনি গতবারের চাহিদার চেয়ে এক চর্তুথাংশ চাহিদাপত্র দিয়েছিলেন টাকশালে, যা ২২ জুলাই শেষ হয়ে যায়। বুধবারও বাংলাদেশ ব্যাংকের কাউন্টার থেকে নতুন টাকা পাওয়া যায়নি।

এদিন নতুন টাকা নিতে না পেরে ফিরে যান অনেকেই। কারেন্সি অফিসারের কাছে ধর্ণা দিয়েও লাভ হয়নি। তবে ব্যাংকে নতুন টাকা না পেলেও ফুটপাতে অতিরিক্ত টাকা দিয়ে মিলছে সব রকমের নতুন নোট।

বৃহস্পতিবার ব্যাংকের শীর্ষ এক কর্মকর্তার ব্যবস্থায় পুনরায় ছাপিয়ে আনা হয়েছে নতুন নোট। চাহিদার কারণে এই নোটগুলো যতটুকু ছাপা হচ্ছে তাই বাংলাদেশ ব্যাংকে নিয়ে আসা হচ্ছে। ফলে প্রতিবারই অতিরিক্ত পরিবহন খরচ গুনতে হচ্ছে।

বাড়ছে প্রটোকল ও লেবার খরচও। এসব তথ্য জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক ব্যাংক কর্মকর্তা। তার মতে একবারেই ট্রাকে করে আনলে প্রটোকল ও লেবার খরচ বেঁচে যেত।

বাংলাদেশ ব্যাংকের শীর্ষ পর্যায়ের এক কর্মকর্তা জানান, নতুন টাকার যে নোট গুলোর চাহিদা বেশি থাকে তার মধ্যে হল দুই, পাঁচ এবং সবচেয়ে বেশি দশ টাকার নোট। ২০১৩ সালে যে পরিমাণ টাকা ছাঁপানো হয়েছিল এবার তার চেয়ে অনেক কম। কারেন্সি অফিসারের পক্ষ থেকে এবার চাহিদা দেওয়া হয়েছিল এক চর্তুথাংশ। তাই টাকার সংকট দেখা দিয়েছে। পরে বিশেষ ব্যবস্থায় গাজীপুরের টাকশাল থেকে নতুন টাকা ছাপিয়ে আনা হচ্ছে।

ব্যাংক সূত্র জানায়, এবার ঈদকে সামনে রেখে ২০ হাজার কোটি টাকার নতুন নোট বাজারে ছাড়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর মধ্যে এ বছর নতুন নোট ছাপানোর লক্ষমাত্রা ছিল ১০ হাজার ৩৬৬ কোটি টাকা। ব্যাংকে মজুদ ছিল ৯ হাজার কোটি টাকার ওপরে।

শনিবার পোশাক শিল্প শ্রমিকদের বেতন দেওয়ার জন্য ঢাকা মহানগরী, আশুলিয়া, টঙ্গী, গাজীপুর, সাভার, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামের শিল্পঘন এলাকার সকল ব্যাংকের শাখা খোলা থাকবে বলে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আগামী রোবাবার ব্যাংক খোলা থাকবে। সোমবার থেকে শুরু হবে ঈদের ছুটি। নতুন টাকা বিতরণের জন্য এবার ঢাকার ১৯টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের ২০টি শাখা নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন টাকা বিতরণের জন্য রাজধানী ঢাকায় ব্যাংকের শাখাগুলো হলো, সোনালী ব্যাংকের রমনা শাখা, জনতা ব্যাংকের আব্দুল গণি রোড, অগ্রণী ব্যাংকের এ্যালিফ্যান্ট রোড, রূপালী ব্যাংকের মহাখালী, প্রাইম ব্যাংকের মালিবাগ ও মিরপুর, পূবালী ব্যাংকের সদরঘাট, ন্যাশনাল ব্যাংকের যাত্রাবাড়ি, ইসলামী ব্যাংকের শ্যামলী, মার্কেন্টাইল ব্যাংকের বনানী, সাউথইস্ট ব্যাংকের কাওরানবাজার, এসআইবিএল ব্যাংকের বসুন্ধরা সিটি মার্কেট, উত্তরা ব্যাংকের চকবাজার, ওয়ান ব্যাংকের বাসাবো, আইএফআইসি ব্যাংকের গুলশান, ফার্স্ট সিকিউরিটি ব্যাংকের মোহাম্মদপুর, ব্যাংক এশিয়ার ধানমন্ডি, ঢাকা ব্যাংকের উত্তরা এবং ডাচ-বাংলা ব্যাংকের দক্ষিণ খানের এসএমই এন্ড কৃষি শাখায় নতুন টাকা পাওয়া যাবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ