আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসকে রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রযুক্তি দিয়েছে তেহরান। ইরানের আরবি ভাষার নিউজ চ্যানেল আল-আলমকে দেয়া সাক্ষাৎকারে একথা জানিয়েছেন দেশটির স্পিকার ড. আলী লারিজানি।
চলমান যুদ্ধে গাজা থেকে ৭০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ইসরাইলের রাজধানী তেল আবিব ও জেরুজালেম শহরে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে হামাস। এমনকি হামাসের ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার পর প্রায় তিনদিন ধরে তেল আবিবে পশ্চিমা বিমান চলাচল বন্ধ ছিল।
অবরুদ্ধ গাজায় বসে হামাসের পক্ষে এসব ক্ষেপণাস্ত্র নির্মাণ সম্ভব নয় বলে এর আগে অনেকে অভিযোগ করেছেলিন।
লারিজানি বলেন, ইরান কখনো হামাসকে ক্ষেপণাস্ত্র দেয়নি, তবে ক্ষেপণাস্ত্রসহ অন্যান্য অস্ত্র তৈরির প্রযুক্তি দিয়েছে। এ প্রযুক্তি দিয়ে হামাস এখন নিজের সমরাস্ত্রের প্রয়োজন নিজেই মেটাতে পারছে।
ফিলিস্তিনিদের প্রতিরোধ সংগ্রামের প্রতি সমর্থন জানিয়ে ইরানের স্পিকার বলেন, এ সংগ্রামে সম্ভাব্য সব রকম সহায়তা দেবে ইরান। ইহুদিরা যেন যখন তখন গাজায় আগ্রাসন চালিয়ে ফিলিস্তিনিদের খুন করতে না পারে সেজন্য প্রতিরোধ যোদ্ধাদের যথাসম্ভব সাহায্য করা সব মুসলিম দেশের কর্তব্য। ইরান এ দায়িত্ব পালন করতে দ্বিধা করছে না।
এদিকে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর সেকেন্ড ইন-কমান্ড ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন সালামি বলেছেন, ইসরাইলের সাম্প্রতিক বিমান হামলার বদলা নিতে ফিলিস্তিনের জনগণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
ইসরায়েলের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে তিনি বলেন, “আমরা তোমাদের ঘরে ঘরে তল্লাশি চালাব এবং ফিলিস্তিনে আমাদের শহীদদের প্রতি ফোটা রক্তের বদলা নেব। এটা হচ্ছে তোমাদের পরাজিত করার জন্য মুসলিম উম্মাহর জেগে ওঠার শুরুর মুহূর্ত।”
জেনারেল সালামি বলেন, ফিলিস্তিনের জনগণ গাজার চলমান যুদ্ধে বিজয়ী হবে এবং মুসলিম বিশ্ব আমেরিকা ও ইসরায়েল ও তাদের আঞ্চলিক মিত্রদের জন্য কবর হয়ে দেখা দেবে। সূত্র: এমপি