রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের রাজারহাটে স্বামীর বাড়িতে এসে নববধূ মরিয়ম বেগম (২৩) নির্যাতনের শিকার হয়েছে। অবশেষে এ ঘটনার ৬দিন পর থানা পুলিশ মঙ্গলবার রাতে ৮ জনের নামে মামলা নিয়েছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ঘটনার সঙ্গে জড়িত কাউকে পুলিশ গ্রেপ্তার করতে পারেনি। উপজেলার সদর ইউপি’র স্বরুপ চামারু গ্রামের আঃ মজিদ পাটোয়ারীর পুত্র রবিউল পাটোয়ারী (পলাশ) (২৫) পার্শ্ববতী ছিনাই ইউপি’র আশ্চার্য্য গ্রামের আব্দুল রহিম পাটোয়ারীর কন্যা মরিয়ম আক্তার (২৩) কে গত ২০ জুন’২০১৪ ইং তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়ের পর রবিউল কর্মস্থল ঢাকা চলে যায়। গত ৩১ জুলাই রবিউল মোবাইল ফোনের মাধ্যমে মরিয়মকে তার বাড়িতে আসতে বলে। ওইদিন দুপুর ২টায় মরিয়ম তার স্বামী রবিউলের বাড়িতে পৌঁছিলে রবিউল ও তার বাড়ির লোকজন মোটা অংকের যৌতুকের টাকা দাবী করে নববধূ মরিয়মের উপর। এ সময় মরিয়ম তার পরিবারের পক্ষে এতো টাকা দেয়া সম্ভব নয় জানা মাত্রই তার উপর শুরু হয় পাশবিক নির্যাতন। এরই এক পর্যায়ে মরিয়ম সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে তার স্বামীর বাড়ীর লোকজন মরিয়মের সঙ্গে থাকা স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা ও একটি মোবাইল সেট কেড়ে নিয়ে হাত-পাঁ বেঁধে পার্শ্ববতী মসজিদের বারান্দায় রেখে যায়। অবশেষে এলাকাবাসীর সহায়তায় ১ আগষ্ট শুক্রবার সকালে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে মরিয়মকে ভতি করা হয়। বর্তমানে সে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়। এ বিষয়ে মরিয়মের ভাই মাসুম জানান, ঘটনার পর থানায় মামলা করতে গেলে ওসি মামলা না নিয়ে উল্টো ধমক দিয়ে তাড়িয়ে দিয়েছে। এ বিষয়ে রাজারহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এম এম ময়নুল ইসলামের সঙ্গে কথা হলে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, ওই ঘটনায় থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা রুজু হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশি তৎপরতা চলছে।