• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৫ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

ডোমার সাব-রেজিস্ট্রারের দূর্নীতির প্রমাণ পেয়েছেন তদন্ত টীম

Durnitiসিসি নিউজ: নীলফামারীর ডোমার সাব-রেজিস্ট্রার আব্দুল হালিম প্রধানের বিরুদ্ধে দাতা ছাড়াই ভুয়া দলিল রেজিস্ট্রী, জমির মূল্য কম দেখিয়ে রেজিস্ট্রী সহ তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন দূর্নীতির সত্যতা পেয়েছেন গঠিত তদন্ত টীম । এদিকে দূর্নীতির প্রমানসহ একটি প্রতিবেদন উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষের নিকট তদন্ত টীম দাখিল করলেও এখনও বহাল তবিয়তে রয়েছেন ওই সাব-রেজিস্ট্রার।
অভিযোগ মতে, আব্দুল হালিম প্রধান ডোমার সাব-রেজিস্ট্রী অফিসে যোগদানের পর থেকে বিভিন্ন অনিয়ম করে আসছেন। এর মধ্যে ২০১৪ সালের ১৮ মার্চ মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে দাতা ছাড়াই একটি দলিল রেজিস্ট্রী করেন তিনি। যাহার দলিল নং-৬৬৮। পরবর্তীতে জমির প্রকৃত মালিক কাওছারুল হক চৌধুরী ঘটনাটি জানতে পেরে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেন। এ ছাড়া বিভিন্ন সময়ে দাতা ও দাতার টিপসই ছাড়াই ৬৯৬,৭৫৮,৭৬০,৭৬৫,৮১৫ ও ৮৩৩ নম্বরের দলিল গুলো ডোমার সাব-রেজিস্ট্রী অফিসে রেজিস্ট্রী করা হয়েছে। আদালতে মামলা চালাকালীন জমির দলিল করার নিয়ম না থাকলেও ওই সাব-রেজিস্ট্রী অফিসে দলিল সম্পাদন করা হয়েছে।  এছাড়া আট শতক জমিকে ঘষামাজা করে আটাত্তর করা,প্রতি সপ্তাহের মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অফিসে অনুপস্থিত থাকা, তার অনুপস্থিতিতে একজন দলিল লেখককে দিয়ে অফিস পরিচালনা করা সহ সাব-রেজিস্ট্রারের বিভিন্ন অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকায় একাধিক সংবাদ প্রকাশিত হয়। এর প্রেক্ষিতে গত ২৪ জুলাই ঢাকা নিবন্ধন অফিসের মহা-পরিদর্শক নীলফামারী জেলা রেজিস্ট্রারকে প্রধান করে একটি তদন্ত টীম গঠন করেন। যার স্মারক নং-নিপ/নিয়োগ/রেজিঃশাখা-১/৭০৮১। এদিকে তদন্ত টীম গত ১৯ আগষ্ট থেকে ডোমার সাব-রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের তদন্ত কাজ শুরু করেন। তদন্তকালে তদন্ত টীম উল্লেখিত নম্বরের দলিল ও বালাম বহি যাচাই-বাচাই, অভিযোগকারী ভুক্তভোগী, স্থানীয় সাংবাদিক, দলিল লেখক,এলাকাবাসির সাথে কথা বলেন ও তাদের লিখিত জবানবন্দী গ্রহণ শেষে গত ৩১ আগষ্ট ৭৮ পৃষ্টার একটি তদন্ত প্রতিবেদন মহা-পরিদর্শকের নিকট দাখিল করা হয়। যার স্মারক নং-২৬৭ তারিখ-৩১/০৮/১৪। তদন্ত প্রতিবেদনে ডোমার সাব-রেজিষ্ট্রারের বিরুদ্ধে আনীত দূর্নীতির অভিযোগের সত্যতা মিলেছে বলে উল্লেখ করা হয়। এদিকে ডোমার সাব-রেজিস্ট্রারের দূর্নীতির অভিযোগ প্রমানিত হলেও এখনও তিনি বহাল তবিয়তে রয়েছেন বলে জানা গেছে।
এব্যাপারে তদন্ত কমিটির প্রধান জেলা রেজিস্ট্রার খলিলুর রহমান তদন্ত কালে ডোমার সাব-রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে দূর্নীতির প্রমাণ পেয়েছেন স্বীকার করে বলেন এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন নিবন্ধন অধিদপ্তরের মহা-পরিচালক নিকট প্রেরণ করা হয়েছে। তারাই সাব-রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ