• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩৮ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

নীলফামারীতে তিস্তার পানি বিপদসীমায় ওপর দিয়ে প্রবাহিত

Flood-1সিসি নিউজ: উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢল আর টানা বৃষ্টিতে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে নীলফামারীর ডালিয়ায় তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে বিপদ সীমার ৮ সেন্টিমিটার ওপড় দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে নদীর আশেপাশের নিম্নাঞ্চল গুলো প্লাবিত হয়েছে। অপর দিকে দুই দিনে টানা বৃষ্টিতে জেলা জুড়ে কর্মজীবি থেকে শুরু করে সকল শ্রেণী পেশার  চরম দূর্ভোগে পড়ছে মানুষজন।
নীলফামারী পানি উন্নয়ন বোর্ড ডালিয়া ডিভিশনের বন্যা পূর্বাভাস সর্তকীকরণ কেন্দ্রের দায়িত্বরত কর্মকর্তা নূরুল হক জানান, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢল আর দুই দিনের টানা বৃষ্টিপাতে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে সোমবার সকাল ৬টায় তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে পানি বিপদ সমীর (৫২ দশমিক ৪০ মটিার) ১০সেন্টিমিটার ওপড় দিয়ে প্রবাহিত হয়। পরে সকাল ৯টায় দুই সেন্টিমিটার কমে ৮ সেন্টিমিটার ও  দুপুর ১২টায় আরো দুই সেন্টিমিটার কমে বিপদ সীমার ৬সেন্টিমিটার ওপড় দিয়ে এবং সর্বশেষ বিকাল ৩টায় পানি কমে বিপদ সীমার ২ সেন্টিমিটার ওপড় দিয়ে প্রবাহিত হয়। এতে তিস্তা নদীর অববাহিকার বাইশপুকুর, ছোটখাতা, কিসামত চর, ছাতুনামার চর, ভেন্ডাবাড়ির চর, পূর্বছাতনাই, টেপাখড়িবাড়ি, বানপাড়া ছাড়াও আশেপাশের নি¤œাঞ্চল প্লাবিত হয়ে পড়েছে। এ ছাড়া তিস্তা অববাহিকায় ২৪ ঘন্টায় ১০৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রের্কড করা হয়।
তিস্তা নদীপাড়ের আছির মাঝি ও হারুর মাঝি জানান, গত দুই দিন থেকে ভারী বৃষ্টিতে এবং  উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে রোববার রাত থেকে নদীর পানি বাড়তে থাকে যা সোমবার সকালে নদীর পানি বিপদ সীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপড় দিয়ে প্রবাহিত হয়। এসময় নদীর আশেপাশের চর গ্রাম গুলোতে বানের পানি ঢুকে প্লাবিত। তবে বেলা বাড়ার সাথে সাথে নদীর পানি কমতে শুর হলে প্লাবিত নিম্নাঞ্চল গুলোর পানিও নামতে শুরু হয়।
এদিকে টানা বৃষ্টিতে নীলফামারী জেলা জুড়ে কর্মজীবী থেকে সকল শ্রেনীর মানুষজন চরম দূর্ভোকে পড়েছে । দুই দিন থেকে আকাশ ঘনকালো মেঘে ছেয়ে থাকায় সুর্য্যরে মুখ দেখা যায়নি। টানা বৃষ্টিতে ঘর থেকে কাজে যেতে না পেরে সবচেয়ে বেশি দূর্ভোগে পড়ে দিনমজুর পরিবার গুলো। এদিকে জেলা খামার বাড়ির উপ-সহাকরী কৃষি কর্মকর্তা মহসীন রেজা জানান, গত ২৪ ঘন্টায় জেলা জুড়ে গড়ে ১১৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রের্কড করা হয়েছে। এর মধ্যে জেলার কিশোরীগঞ্জ উপজেলায় ২১০, সৈয়দপুরে ১৫০, জলঢাকায় ১৪২, নীলফামারী সদরে ১০০, ডোমারে ৭৫ ও ডিমলায় ৩৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকড করা হয়েছে।
নীলফামারী শহরের শাহীপাড়া এলাকার রিক্সচালক তাজুল ইসলাম (৪৫) জানান, দুই দিন থেকে দিনরাত সমান তালে বৃষ্টি  চলছে। সেমাবার সকালে বাড়ি থেকে রিক্সা নিয়ে বের হয়েছি। মানুষ জন ঘর থেকে বেড় হচ্ছে না। তাই আমরাও যাত্রী পাচ্ছিনা। এখন বেলা তিনটা বাজে অথচো সারা শরীর ভিঁজিয়ে এক কেজি চালের টাকাও সংগ্র করতে পারিনি। এই অবস্থায় এখন পরিবারের সদস্যদের কি দিবো মুখো তুলে তাই ভাবছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ