• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০৬ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

আড়াই লাখ টাকার ছাগল!

banglanews24.comসিসি ডেস্ক: কোরবানি ঈদের বাকি মাত্র তিন দিন। এবারের ঈদে পশুর হাটে গরুর পাশাপাশি দেশি খাসি-ছাগলের চাহিদাও কম নয়। ছাগল কিনে সাধ্যের মধ্যে থেকে কোরবানি দেওয়া যায় বলে অনেকেরই প্রথম পছন্দ এই খাসি-ছাগল। গাবতলী গবাদি পশুরহাটে আনোয়ার নামে এক ব্যাপারী একটি খাসি-ছাগলের দাম হাঁকছেন ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা! তার দাবি ছাগলির ওজন ৯০ কেজি।সাদা রংয়ের খাসিটিকে ক্রেতাদের চোখে ধরার জন্য মেহেদি দিয়ে শরীরে ছোপ ছোপ আল্পনা আঁকা হয়েছে। এছাড়া বাঁকানো বড় দু’টি শিং চকচকে করার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে তেল। আর এতেই পশুর হাটের উৎসুক অনেক জনতা এ ছাগলটিকে দেখতে ভিড় জমাচ্ছেন।

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা থানার হাটবোয়ালী গ্রামের ব্যপারী আনোয়ার জানান, ‘খাসির দাম চাছি ২ লাখ ৬০ হাজার। তবে কিছু টাকা হ্যাটওপর (কম-বেশি) হলি ছেড়ে দিবো।’ তার ভাষ্য ইতোমধ্যে ৯০ হাজার টাকা পর্যন্ত খাসিটির দাম উঠেছে। আনোয়ার হোসেন কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর থানার আমলা থেকে কিনে সরাসরি গাবতলী হাটে তুলছেন। হাটে তিনি মোট ৪০টি ছাগল তুলেছেন। এরমধ্যে ২৭টি বিক্রি করেছেন লাভে। এছাড়া কালো রংয়ের আরো একটি বড় খাসির দাম হাঁকছেন ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। আনোয়ার জানান, ৪০টি ছাগলের মোদ্দি (মধ্যে) ২৭টি ছাগল সিমিত (সামান্য) লাভে বিক্রি করেচি।

জানা যায়, গাবতলী পশুরহাটে অধিকাংশ ছাগল পাবনা, কুষ্টিয়া ও রাজবাড়ীর পাংশা থেকে এসেছে। আর কোরবানি উপলক্ষে পুরোদমে ছাগল বিক্রি শুরু হয়ে গেছে বলে জানান ব্যাপারীরা। আর দামও ভালো পাচ্ছেন বলে ব্যপারীরাও খুশি। রাজবাড়ী জেলার পাংশা থানার মাছপাড়া গ্রামের আছির ব্যাপারী। ১২০টি ছাগলের মধ্যে তিনি ২৫টি ছাগল লাভে বিক্রি করেছেন। আছির বলেন, ১২০টি গরুর মধ্যে ২৫টি প্যাটের ভাতে (সামান্য লাভে) বিক্রি করেছি। বাকি কি হবে কে জানে? তবে বেশি দামের থেকে অল্প টাকা দামের ছাগলের চাহিদাও বেশি। আট হাজার টাকায় ১৪ কেজি মাংস পাওয়া যাবে এমন ছাগলও গাবতলীতে পাওয়া যাচ্ছে। তবে ক্রেতারা বলছেন গরুর পাশাপাশি ছাগলের দামও একটু চড়া। ন্যাশনাল ব্যাংকের কর্মকর্তা সোহাগ। তিনি মিরপুর ১ নাম্বার থেকে হাটে এসেছেন ছাগল কিনতে।

এবার ছাগলের দাম প্রসঙ্গে সোহাগ জানান, ছাগলের দাম বেশি। আজকে দেখছি ব্যপারীদের ছাগল বিক্রির আগ্রহ কম। ওরা ছাগল ছাড়ছে না আরো বেশি দামে বিক্রি করার আশায়। ছাগলের দাম বাড়া প্রসঙ্গে পাবনা ঈশ্বর্দীর ব্যাপারী রবিউল  জানান, সব জিনিসের (দ্রব্য) দাম বেশি। সেই হিসেবে ছাগলের দাম মিডিয়াম। দুই’ডি ছাগল বিক্রি করি লাভ যদি না অয় তালি আমরা কি করতে আইচি। খাসির এক কেজি মাংস কিনতি হলিও তো ৫০০ ট্যাকার অ্যাকটি লোট লাগে।’ উৎসঃ   বাংলানিউজ


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ