• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২২ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

নতুন করে নির্মিত হলো পেলের সেই অবিশ্বাস্য গোল

6f068f21741c76329b3c82a088418eb6-peleখেলাধুলা ডেস্ক: গোল তিনি কম করেননি। নামের পাশে আছে এক হাজারেরও বেশি গোল। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি গোলই আছে, যেগুলো নান্দিকতায়, সৌন্দর্যে অনেকের চোখেই সর্বকালের সেরা।
সমস্যা হলো, পেলের যুগে তো আর এখনকার মতো প্রযুক্তির সুবিধা ছিল না। ফলে পেলের বেশির ভাগ অসাধারণ গোলেরই কোনো ভিডিও নেই। এর মধ্যে ১৯৫৯ সালের ২ আগস্ট সান্তোসের হয়ে অ্যাটলেটিকো জুভেন্টাসের বিপক্ষে দুর্দান্ত একটা গোল করেছিলেন পেলে। পেলে নিজেই যে গোলটিকে বলের তাঁর ক্যারিয়ারের সবচেয়ে সুন্দর গোল।
মাত্র ১৮ বছর বয়সে এই গোলটি করেছিলেন পেলে। তাঁর আরও অনেক গোলের পর এটিরও কোনো ভিডিও নেই। যা আছে, এই গোলটি ঘিরে রাশি রাশি গল্প আর কিংবদন্তিগাথা। পেলে খুব করে চাইছিলেন সেই গোলটির যেন ভিডিও বানানো হয়। অবশেষে অ্যানিমেশন প্রযুক্তির সাহায্যে পেলের সেই গোলটি নতুন করে নির্মাণ করা হলো। ফলে এত দিন যাঁরা পেলের গোলটির গল্পই শুনে এসেছেন, এখন চাইলে দেখে নিতে পারেন সেটির ভিডিও।
ডান প্রান্ত থেকে ডি-এর প্রান্তে ওত পেতে থাকা পেলেকে ক্রসটা করেছিলেন সান্তোস-সতীর্থ। বলটি পায়ে আসা মাত্রই ফ্লিক করে একজন ডিফেন্ডারকে পরাস্ত করেন পেলে। এরপর মাটি থেকে লাফিয়ে ওঠা বলে আলতো টোকা দিয়ে শূন্যে ভাসিয়ে কাটান বক্সের ভেতরের আরেক ডিফেন্ডারকে। শূন্য থেকে পড়তি বলটাকে মাটিতে পড়তে না দিয়ে আবারও আলতো টোকা দিয়ে কাটান আরেক ডিফেন্ডারকে। চলে আসেন গোলরক্ষকের একেবারে সামনে। এবার গোলরক্ষক ঝাঁপিয়ে পড়ে বলটি লুফে নিতে। কিন্তু আবারও বলটিকে মাটিতে পড়তে না দিয়ে আলতো টোকায় শূন্যে ভাসান পেলে। ফাঁকি দেন গোলরক্ষককে। এরপর পড়তি বলে হেড করে জড়িয়ে দেন জালে।
সাধারণত খেলোয়াড়েরা এভাবে শূন্যে বল নিয়ে লোফালুফি করেন অনুশীলনে। যেটিকে কিপি-আপি বলা হয়। কিন্তু পেলে টানা চারবার কিপি-আপি করেছিলেন ম্যাচের মধ্যেই। সেখান থেকে করেছিলেন গোলও!


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ