• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২১ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

চিরিরবন্দরে অপরাধে দমনে “হঠাৎ বাজার”

Cirirbondorমাহবুবুল হক খান, দিনাজপুর: চিরিরবন্দরে রাস্তায় চুরি-ছিনতাই ঠেকাতে সমাজের কিছু সচেতন ও মহতী মানুষ একটি বাজার বসিয়েছেন। তারা এই বাজারটির নামকরণ করেছেন হঠাৎ বাজার নামে। চিরিরবন্দর উপজেলার ইসবপুর ইউনিয়নে গড়ে উঠেছে এ বাজারটি। উপজেলার চক সন্ন্যাসী ও বাঙ্গালপাড়ার কিছুু সচেতন মানুষ এই বাজারটি বসিয়েছেন।
সরেজমিনে ঘুরে ও স্থানীয় লোকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলার চক সন্ন্যাসী ও বাঙ্গালপাড়া এলাকার মানুষ শ্মশানঘাট এলাকা দিয়ে যাতায়াত করত। কিন্তু সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে ওই ঘাটে প্রতিনিয়ত চোর-ডাকাত আর ছিনতাইকারীদের আনাগোনা ঘটত। শুধু তাই নয়-এ স্থানটি দুর্বৃত্তদের নিরাপদ আস্তানায় পরিণত হয়। ওই রাস্তা দিয়ে যাতায়াতকারী পথচারীরা প্রতিনিয়ত চুরি-ছিনতাইয়ের শিকার হত। চুরি-ছিনতাইয়ের স্পট হিসেবে পরিচিতি পায় স্থানটি। সন্ধ্যা নামলেই ওই এলাকা পরিণত হয় আতঙ্কের জনপদে।
সন্ধ্যার পর ওই পথে চলাচল করা দুষ্কর হয়ে ওঠে। দুর্বৃত্তরা ওই রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী পথচারীদের আটক ও মারপিট করে বাইসাইকেল, মোটরসাইকেল, রিক্সা-ভ্যান, নগদ অর্থসহ অন্যান্য মালামাল ও সর্বস্ব কেড়ে নিত। আতঙ্কের মধ্যে থাকতেন ওই পথে চলাচলকারীরা। তারা সর্বদা আতঙ্কের মধ্যে থাকেন কখন যেন চোর-ডাকাত আর ছিনতাইকারীদের কবলে পড়ছেন এই আশঙ্কায়।
এ অবস্থা থেকে নিস্তার পেতে ওই এলাকার সমাজসেবক মোতালেব হোসেন শাহ্ পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া ৪৩ শতাংশ জমিতে সর্ব প্রথম নিজ উদ্যোগে দোকানপাট গড়ে তোলেন। পর্যায়ক্রমে সেখানে বাজার গড়ে ওঠে। বর্তমানে এখানে অর্ধ শতাধিক দোকানপাট গড়ে উঠেছে। নাম দেয়া হয়েছে হঠাৎ বাজার। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত এ বাজারের দোকানগুলো খোলা থাকে। ওই বাজারে অসংখ্য লোকজনের সমাগম ঘটে। এ কারণে বন্ধ হয়ে গেছে দুর্বৃত্তদের সব অপরাধমূলক কর্মকান্ড।
কিন্তু একটি কুচক্রী মহল এ মহতী উদ্যোগকে সহজে মেনে নিতে পারেনি। তারা ওই বাজারটি উচ্ছেদ করতে আদাজল খেয়ে মরিয়া হয়ে উঠেছে। বাজারটি উচ্ছেদ করতে তারা অপরাধ জগতের লোকজনের সঙ্গেও ফন্দি-ফিকির করছেন। ওই কুচক্রী মহলটি কিছু লোককে দিয়ে শ্মশানঘাটের জায়গা জবরদখল করে বাজার স্থাপনের অভিযোগ এনে সংশ্লিষ্ঠ দপ্তরে আবেদন করেছে।
সম্প্রতি অভিযোগের প্রেক্ষিতে চিরিরবন্দরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ের সার্ভেয়ারের মাধ্যমে তদন্ত করা হয়েছে। তদন্তে আনীত অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় ওই কুচক্রী মহল আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। এ অবস্থায় এলাকার সচেতন মহল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট বাঙ্গালপাড়া-চক সন্ন্যাসী সড়কে চুরি-ডাকাতি-ছিনতাই তথা অপরাধমূলক কর্মকান্ড ঠেকানোসহ বাজারটি রক্ষার দাবি জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ