ঢাকা : গত দুই বছর ধরে ভাঙা গড়া চলছে সরকারের অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। এই সময়েই প্রথমে টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি দুই মন্ত্রণালয়কে এক করে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় গঠন করা হয়। তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়কে একীভূত করে এই মন্ত্রণালয়ের একটি বিভাগে পরিণত করা হয়। একই সঙ্গে গড়ে পাঁচ মাসের কম সময়ে চার বার পরিবর্তিত হয়েছে চার মন্ত্রী। দায়িত্ব পালন করেছেন রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু, সাহারা খাতুন, রাশেদ খান মেনন ও লতিফ সিদ্দিকী।
লতিফ সিদ্দিকী বরখাস্তের মাধ্যমে এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব এখন বর্তেছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে। কিন্তু এই আকর্ষণীয় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে ইতিমধ্যেই শুরু তোড়জোড়। একাধিক সূত্রে জানা গেছে, এই এক পদের জন্য এখন প্রার্থী রয়েছেন সাত জন।
তাদের মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে আছেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি ও সাবেক বন ও পরিবেশমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রী হতে সমান তালে ডাক, প্রধানমন্ত্রীর ফুফাতো ভাইয়ের ছেলে ও দলীয় সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, আওয়ামী লীগের কৃষিবিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কৃষিবিদ ড. আব্দুর রাজ্জাক, টাঙ্গাইল সংসদীয় আসনের শিল্পপতি একাব্বর হোসেন ও মুক্তিযুদ্ধে বাতেন বাহিনীর কমান্ডার খন্দকার আব্দুল বাতেনও রয়েছেন প্রতিযোগিতায়। এর সঙ্গে রয়েছেন প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলকও।
তবে প্রধানমন্ত্রীর ছেলে ও তার তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের ঘনিষ্ঠজন হলেও বয়সে নবীন ও অভিজ্ঞতায় পিছিয়ে থাকায় পলক প্রতিমন্ত্রী হিসেবেই বহাল থাকছেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
অপরদিকে বর্তমানে টাঙ্গাইল জেলা মন্ত্রীশূন্য হওয়ায় এই দৌড়ে আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুর রাজ্জাকের নাম এগিয়ে আছে।
নতুন বার্তা