• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

বিয়ের দু’দিন পরেই লাশ হয়ে ফিরলো ফরিদা

1একরামুল হক বেলাল, সিসি নিউজ: পার্বতীপুরে বছিরবানিয়া এলাকার মেধাবী ছাত্রী ফরিদা ইয়াসমিন বিয়ের দু’দিন পরেই স্বামীর বাড়ী থেকে লাশ হয়ে ফিরলো। ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার সকালে দিনাজপুরের নিমনগর বালুবাড়ী এলাকার এন এন সি ভিলায়।
জানা যায়, পার্বতীপুর উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়নের বড়হরিপুর দাঁড়িয়াপাড়া গ্রামের রফিকুল ইসলামের দ্বিতীয় কন্যা দিনাজপুরের মহিলা কলেজ অনার্স (সমাজকর্ম) প্রথম বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষার্থী ফরিদা ইয়াসমিনের বিয়ে হয় চিরিরবন্দর উপজেলার ভিয়াইল ইউনিয়নের কালীগঞ্জ এলাকার আসাদুজ্জামান চৌধুরী দুলাল এর প্রথম পুত্র নুরে আফরোজ চৌধুরি সোহেল সংগে গত ৯ অক্টোবর’১৪ বৃহস্পতিবার রাতে। বিয়ের পর নববধু মেধাবী ছাত্রী ফরিদা ইয়াসমিনকে দিনাজপুরর নিমনগর বালুবাড়ী এলাকার এন এন সি ভিলায় নিয়ে যায়। পরদিন শুত্র“বার সন্ধায় রফিকুল ইসলাম তার মেয়েকে শশুরবাড়ী থেকে আনার জন্য প্রায় ১২/১৫ জন অাত্মীয়-স্বজনকে পাঠায়। তারা রাত প্রায় ১০টার দিকে নববধু ফরিদা ইয়াসমিন ও জামাতকে নিয়ে পার্বতীপুরে আসে। পরদিন শনিবার আবারও জামাতার ছোট ভাই সাগর ও তার স্ত্রী স্মৃতি বিকেলে কার নিয়ে পার্বতীপুরে আসে। আনুষ্ঠানিকতা শেষে সন্ধায় তারা চলে যায়। সোহেল নববধুকে নিয়ে দাদার বাড়ী চিরিরবন্দরে কালীগঞ্জে যায়। পরে সেখান থেকে রাতেই তারা দিনাজপুরে শহরের বাড়ীতে চলে যায়। পরদিন রবিবার অনুমান সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সোহেলের মা ছকিনা বেগম মুঠোফোনে নতুন বিহাইকে জানায় যে. তার কন্যা নববধু ফরিদা ইয়াসমিন খুবেই অসুস্ত। দেখলে তাড়াতাড়ী চলে আসতে অনুরোধ করেন। পরে ফরিদা ইয়াসমিনে ভাবী রেশমা সোহেলকে ফোন করলে জানতে পারে যে, ফরিদা আতœহত্যা করেছে। লাশ দিনাজপুরের মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রয়েছে। পরে তার অাত্মীয়-স্বজনরা নববধু ফরিদা ইয়াসমিনের লাশ নিয়ে পার্বতীপুর ফিরে আসে। নববধু ফরিদার ভগ্নিপতী আব্দুর রউফ,মামা আবু বকর সিদ্দিক.ভাই সেলিম আহাম্মেদ বলেন, নিহতের গলায় কালো দাগ ছিল। এ ছাড়াও নিহতের ফুপাতো বোন রোকেয়াসহ দু’জন মহিলা জানায়, নিহতের শরীরে বিভিন্ন স্থানে কালো দাগ ছিল। নিহতের পিতা-মাতা ও অতœীয়-স্বজনদের দাবী মেধাবী নববধু ফরিদা ইয়াসমিনকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে।
নিহতের পিতা-মাতা আরো জানায়, ফরিদা ইয়াসমিন গত দু’বছর থেকে এন এন সি ভিলায় মহিলা মেস থেকে লেখা-পড়া করে আসছিল। এ সুবাধে মেস মালিকের পুত্র নুরে আফরোজ চৌধুরি সোহেল বিভিন্ন সময়ে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে আসছিল। এতে ফরিদা ইয়াসমিন রাজী হয়নি। পরে একই মেসের ছাত্রী নাদিরা বেগমের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রলোভন দিয়ে আতঃপর বিয়ে হয়। নিহতের ভগ্নিপতী ও মামার অভিযোগ নুরে আফরোজ চৌধুরি সোহেল নেশা করার কারনে নববধু স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বাক-বিতান্ডের এক পর্যয়ে গলা চিপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। ফরিদা ইয়াসমিনের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নুরে আফরোজ চৌধুরি সোহেলের ইতোপূর্বেও বিয়ে হয়েছিল। সেই স্ত্রী পালিয়ে যায় বলে জানা গেছে। এনিয়ে দিনাজপুর কোতয়ালী থানায় একটি ইউডি মামলা দায়ের হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ