• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৪৬ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

ইরানে দত্তক কন্যাকে বিয়ে করা বৈধ

94606_1আন্তর্জাতিক ডেস্ক: দত্তক কন্যাকে বিয়ে করার বৈধতা দিয়ে বিল পাস করেছে ইরান পার্লামেন্ট। এ আইন পাস হলে মাত্র ১৩ বছর বয়স হলেই সে মেয়েকে বিয়ে করতে আর কোনো বাধা থাকবে না।

গত রোববার বিলটি পাস হয়েছে। অবশ্য ইরানের অভিভাবক পরিষদ এ বিলের ব্যাপারে এখনো অভিমত দেয়নি। এই পরিষদ পার্লামেন্টে পাস হওয়া যে কোনো বিলে ভেটো দিতে পারে।

ইরানে ১৩ বছর বয়সে মেয়ে এবং ১৫ বছর বয়সে ছেলের বিয়ে দেয়া বৈধ। অবশ্য মেয়ের ব্যাপারে আদালতের অনুমতি নিতে হয়। কিন্তু সৎ পুত্র/কন্যাকে বিয়ে করা নিষিদ্ধ।

নারী ও শিশু অধিকার কর্মীরা এ বিল পাসে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এতে বাল্যবিয়ের প্রবণতা আরো বাড়বে এবং আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে দত্তক কন্যাকে বিয়ে করার সুযোগ অবারিত হবে।

উল্লেখ্য, ইরানের অনলাইন পত্রিকা তাবনাকের তথ্য মতে, দেশটিতে ২০১০ সালে ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী ৪২ হাজার শিশুর বিয়ে হয়েছে। এমনকি খোদ রাজধানী তেহরানেই ১০ বছরের কম বয়সী কমপক্ষে ৭৫ শিশুর বিয়ে হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ইসলামি শরিয়তে দত্তক সন্তানকে উত্তরাধিকার হিসেবে বিবেচনা করা হয় না। এ জন্য এমন সন্তান কখনো পালক পিতা/মাতার সম্পদের অংশীদার হয় না। তাদের বা তাদের তালাকপ্রাপ্ত স্বামী/স্ত্রীকে বিয়ে করাও বৈধ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ